Be a part of our novel cause
Provide food support for 1 week to 20+ families in hunger due to COVID-19 and Amphan crisis.
The lower middle class people, cannot come out at road to receive relief. We are here to help contact us we will send help.
যারা কিনা ছোট চাকরী করেন বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে আর্থিক ভাবে বিপর্যস্ত এবং কারো কাছে সাহায্য চাইতেও পারছেন না লোক লজ্জা এর জন্য।আমরা তাদের একটু স্বস্তির ব্যবস্থা করার চেষ্টা করব।
প্রথমবার হিসেবে আমরা ঢাকার মিরপুর ১ থেকে মিরপুর ১০ নম্বর এলাকার রিকশাচালক শ্রমজীবী মানুষকে সাহায্য করতে পেরেছি। আপনাদের দেওয়া অর্থসাহায্যে আমরা মোটামুটি ৫১ টি পরিবারের হাতে খাদ্য সামগ্রী তুলে দিতে পেরেছি।
বেগুন বাড়ি এলাকায় ৫২ টি নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবার এর মাঝে সাহায্য পৌঁছে দিয়েছি। এবার আমাদের টার্গেট ছিল তাদের যারা কিনা ছোট চাকরী করেন বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে আর্থিক ভাবে বিপর্যস্ত এবং কারো কাছে সাহায্য চাইতেও পারছেন না লোক লজ্জা এর জন্য। এমন ৫২ টি পরিবার কে আজ আমরা একটু স্বস্তির ব্যবস্থা করেছি।
The lower middle class people, cannot come out at road to receive relief. We are here to help, contact us we will send help.
যারা কিনা ছোট চাকরী করেন বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে আর্থিক ভাবে বিপর্যস্ত এবং কারো কাছে সাহায্য চাইতেও পারছেন না লোক লজ্জা এর জন্য।আমরা তাদের একটু স্বস্তির ব্যবস্থা করার চেষ্টা করছি।
আমাদের প্রকল্পের ৩য় কার্যক্রম এ লাংগারপাড়া,শেরপুর এর ২১টি পরিবারের মাঝে এবার আমরা মোটামুটি ১ সপ্তাহের বাজার তুলে দিতে পেরেছি আলহামদুলিল্লাহ|
এখানকার নিম্নবিত্ত, নিম্নমধ্যবিত্ত মানুষগুলো মূলত কৃষক,দিনমজুর,ছোট দোকানের ব্যবসায়ী। লকডাউনের কারণে তাদের আয়ের উৎস বন্ধ হলেও এসব প্রত্যন্ত অঞ্চলে সরকারি বেসরকারি সাহায্য পৌঁছায়নি বললেই চলে।
আপনাদের অনুদানে ৪র্থ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ঢাকার বিভিন্ন এলাকার বেশ কয়েকটি পরিবারে বিকাশ যোগে তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী সাধ্যমত আমরা অর্থসাহায্য প্রদান করেছি। দু'আ করি একটু হলেও তাদের কষ্ট যেন আল্লাহ লাঘব করেন।
নীলফামারী এর বড়ভিটা গ্রামের সব মিলিয়ে ৩১টি কৃষক, দিনমজুর, ছোট দোকানর ব্যবসায়ী, বিধবা, বয়স্ক সন্তানহীন পরিবারের মাঝে এবার আমরা মোটামুটি ১০ থেকে ১২ দিনের বাজার তুলে দিতে পেরেছি
আমাদের ৬ষ্ঠ বিতরণ কার্যক্রম আমরা সম্পন্ন করেছি কয়েকদিন আগে আল্লাহর ইচ্ছায়।
শেরপুরের লাংগারপাড়া গ্রামে আমাদের ৩য় বিতরণ সম্পন্ন করেছিলাম। এবার আমরা শেরপুর সদরে একটি মফস্বল এলাকার খোঁজ পাই যেখানে করোনা পরিস্থিতির অর্থনৈতিক শিকার হয়েছেন মধ্যবিত্ত, নিম্নমধ্যবিত্ত মানুষ।
এবার মিলিয়ে ২২টি পরিবারের মাঝে এবার আমরা মোটামুটি ১ সপ্তাহের বাজার তুলে দিতে পেরেছি আলহামদুলিল্লাহ।