❂ ❂ ❂ ❂ ❂ ❂ ❂ ❂ ❂ ❂ ❂ ❂
❂
❂
❂
ষাটের দশকে ফৌজি পাক-সরকার তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে রবীন্দ্র সংগীত গাওয়া, বেতার বা টেলিভিশনে সম্প্রচার নিষিদ্ধ করে। এতে বাংলাদেশের প্রবাদপ্রতিম রবীন্দ্র সংগীত শিল্পী কলিম শরাফী দমে না গিয়ে অন্যান্যদের সহায়তায় রবীন্দ্র সংগীত, নাটক ও নৃত্যনাট্যের সংস্থা ছায়ানট গড়ে তোলেন। নিষেধাজ্ঞার ভিতর গুপ্ত সংগঠনের মতো জেলা শহরগুলিতে ছড়িয়ে পড়েছিল 'ছায়ানট'-এর শাখা।[১] ১৯৬১ সালে রবীন্দ্র-জন্মশতবার্ষিকী উৎযাপনের পর একটি প্রগতিশীল সাংস্কৃতিক সংগঠন প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেন কয়েকজন সংগঠক। তাদের মধ্যে মোখলেসুর রহমান (সিধু ভাই নামে পরিচিত), শামসুন্নাহার রহমান, সুফিয়া কামাল, ওয়াহিদুল হক অন্যতম। সাঈদুল হাসানের প্রস্তাবে সংঠনটির নামকরণ করা হয় ছায়ানট।
❂
❂
❂
ছায়ানটের প্রাথমিক কার্যক্রম ইংলিশ প্রিপারোটরি স্কুলে শুরু হয়। কিন্তু সরকারী বাধার কারণে কার্যক্রম অগ্রণী বালিকা বিদ্যালয়ে স্থানান্তরিত হয়। সেখানেও সরকারের ভয় ভীতির কারণে লেক সার্কাস গার্লস স্কুলে ছায়ানট আশ্রয় নেয়। ১৯৭১ সাল পর্যন্ত ছায়ানট এখানেই ছিল। স্বাধীনতার পর গভঃ ল্যাবরেটরি স্কুলের অধ্যক্ষ ড. নূরুন নাহার ফয়জুন্নেসা তার স্কুলে ছায়ানটকে কার্যক্রম চালানোর অনুমতি দেন। বিষয়টি তৎকালীন উপাচার্য অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ চৌধুরী অনুমোদন করেন।
ইংরেজি ১৯৬৪ সাল, বাংলা ১৩৭১ সালের ১লা বৈশাখ রমনার বটমূলে ছায়ানট বাংলা নববর্ষ পালন শুরু করে। কালক্রমে এই নববর্ষ পালন জাতীয় উৎসবে পরিণত হয়। এছাড়াও ছায়ানট ২৫শে বৈশাখ, ২২শে শ্রাবণ, শারদোৎসব ও বসন্তোৎসব গুরুত্বের সাথে পালন করে।
✤✤✤✤✤✤✤✤✤✤✤✤✤✤✤✤✤
২০১৫ সালে সাংস্কৃতিক সম্প্রীতির স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশের রবীন্দ্রচর্চার সূতিকাগার ও বিখ্যাত সাংস্কৃতিক সংগঠন ছায়ানট ভারত সরকার প্রবর্তিত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আন্তর্জাতিক পুরস্কার লাভ করে।[৩]২০১৯ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি সোমবার সকালে নয়াদিল্লির প্রবাসী ভারতীয় কেন্দ্রে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ভারতের রাষ্ট্রপতি ড.রামনাথ কোবিন্দ পুরস্কারটি প্রদান করেন ছায়ানটের সভাপতি ড. সনজীদা খাতুনকে।
❂
❂
❂
❂
✤ধন্যবাদ✤
❂ ❂ ❂ ❂ ❂ ❂ ❂ ❂
❂
❂
❂
❂