Jyōti Pathadarśhini
Home Page > Our Newsletter
জ্যোতিঃ Shri Chiranjit Chatterjee
মা দুর্গার ১০৮ নাম
(১) সতী, (২) সাধ্বী, (৩) ভবপ্রীতা, (৪) ভবানী, (৫) ভবমোচনী, (৬) আর্য্যা, (৭) দুর্গা, (৮) জয়া, (৯) আদ্যা, (১০) ত্রিনেত্রা, (১১) শূলধারিণী, (১২) পিনাকধারিণী, (১৩) চিত্রা, (১৪) চন্দ্রঘণ্টা, (১৫) মহাতপা, (১৬) মনঃ, (১৭) বুদ্ধি, (১৮) অহঙ্কারা, (১৯) চিত্তরূপা, (২০) চিতা, (২১) চিতি, (২২) সর্বমন্ত্রময়ী,(২৩) নিত্যা, (২৪) সত্যানন্দস্বরূপিণী, (২৫) অনন্তা, (২৬) ভাবিনী, (২৭) ভাব্যা, (২৮) ভব্যা, (২৯) অভব্যা, (৩০) সদাগতি, (৩১) শাম্ভবী, (৩২) দেবমাতা, (৩৩) চিন্তা, (৩৪) রত্নপ্রিয়া, (৩৫) সর্ববিদ্যা, (৩৬) দক্ষকন্যা, (৩৭) দক্ষযজ্ঞবিনাশিনী, (৩৮) অপর্ণা, (৩৯) অনেকবর্ণা, (৪০) পাটলা, (৪১) পাটলাবতী, (৪২) পট্টাম্বরপরিধানা, (৪৩) কলমঞ্জীররঞ্জিনী, (৪৪) অমেয়বিক্রমা, (৪৫) ক্রূরা, (৪৬) সুন্দরী, (৪৭) সুরসুন্দরী, (৪৮) বনদুর্গা, (৪৯) মাতঙ্গী, (৫০) মতঙ্গমুনিপূজিতা, (৫১) ব্রাহ্মী, (৫২) মাহেশ্বরী, (৫৩) ঐন্দ্রী, (৫৪) কৌমারী, (৫৫) বৈষ্ণবী, (৫৬) চামুণ্ডা, (৫৭) বারাহী, (৫৮) লক্ষ্মী, (৫৯) পুরুষাকৃতি, (৬০) বিমলা, (৬১)উৎকর্ষিণী, (৬২) জ্ঞানা, (৬৩) ক্রিয়া, (৬৪) সত্যা, (৬৫) বুদ্ধিদা, (৬৬) বহুলা, (৬৭) বহুলপ্রেমা, (৬৮) সর্ববাহনবাহনা, (৬৯) নিশুম্ভনিশুম্ভহননী, (৭০) মহিষাসুরমর্দিনী, (৭১) মধুকৈটভহন্ত্রী,(৭২) চণ্ডমুণ্ডবিনাশিনী, (৭৩) সর্বাসুরবিনাশা,(৭৪) সর্বদানবঘাতিনী,(৭৫) সর্বশাস্ত্রময়ী, (৭৬) সত্যা, (৭৭) সর্বাস্ত্রধারিণী, (৭৮) অনেকশস্ত্রহস্তা, (৭৯) অনেকাস্ত্রধারিণী, (৮০) কুমারী, (৮১) কন্যা, (৮২) কৈশোরী, (৮৩) যুবতী, (৮৪) যতি, (৮৫) অপ্রৌঢ়া, (৮৬) প্রৌঢ়া, (৮৭) বৃদ্ধমাতা, (৮৮) বলপ্রদা, (৮৯) মহোদরী, (৯০) মুক্তকেশী, (৯১) ঘোররূপা, (৯২) মহাবলা, (৯৩) অগ্নিজ্বালা, (৯৪) রৌদ্রমুখী, (৯৫) কালরাত্রি, (৯৬) তপস্বিনী, (৯৭) নারায়ণী, (৯৮) ভদ্রকালী, (৯৯) বিষ্ণুমায়া, (১০০) জলোদরী, (১০১) শিবদূতী, (১০২) করালী, (১০৩) অনন্তা, (১০৪) পরমেশ্বরী, (১০৫) কাত্যায়নী, (১০৬) সাবিত্রী, (১০৭) প্রত্যক্ষা এবং (১০৮) ব্রহ্মবাদিনী।
ধনতেরাস
ধনতেরাস আসলে সুস্বাস্থ্যের প্রার্থনা হওয়া উচিত।
ধন-ত্রয়োদশী হলো সেই তিথি, যে তিথিতে দেবতা ধন্বন্তরী আবির্ভূত হয়েছিলেন। সমুদ্র মন্থনের সময় দেবী শ্রীলক্ষ্মীর সাথে তিনিও এসেছিলেন অমৃত কলস নিয়ে। সুস্বাস্থ্য ও আরোগ্য লাভের কামনায় ধন্বন্তরি সর্বদা পূজ্য। শ্রীবিষ্ণুর অবতার ধন্বন্তরি কাশিতে রাজকার্য সামলেছিলেন বলে মান্যতা দেওয়া হয়। তিনি ছিলেন দেবতাদের চিকিৎসক ও আয়ুর্বেদের জনক।
স্বাস্থ্যই সবচেয়ে বড় সম্পদ। তাই এই ধনতেরাসে দেবতার কাছে সুস্বাস্থ্য ও রোগহীন জীবনের প্রার্থনা করুন। ঝাঁটা, সোনা, রুপা, চাল, নুন, হলুদ, আলু, পটল যা কিনছেন ভালো, কিনুন; কিন্তু বিষয়টি সর্বাগ্রে মাথায় রাখুন - স্বাস্থ্যই সবচেয়ে বড় সম্পদ।
পুনরায় বলছি সম্পদ রূপ সুস্বাস্থ্য কে সুনিশ্চিত করতে দেবতার কাছে আজই আন্তরিক প্রার্থনা জানান।
-------------------
अहं हि धन्वन्तरिरादिदेवो जरारुजामृत्युहरोऽमराणाम्।
-- सुश्रुतसंहिता १|१|२१
কালীপূজার আধার
দেবী কালী পূজা তাম্রপাত্রে, যন্ত্রে, বাণলিঙ্গে বা ঘটে প্রশস্তা। তবে শালগ্রাম শিলায় কোনভাবেই দেবীর পূজার্চনা করা যায় না। অনেককেই দেখি শালগ্রাম আধারে বেবি কালী বা তারার পূজা করতে, এটি ঠিক নয়। নিরুত্তর তন্ত্রে স্বয়ং সদাশিব বলেছেন,
"শালগ্রাম শিলাযন্ত্রে নার্চ্চয়েৎ শববাহিনীম্।"
অর্থাৎ, শববাহিনী দেবী কালিকার পূজা শালগ্রামে করবে না।
দেব দীপাবলি
প্রজাপতি ব্রহ্মা অসুর তারকার তপস্যায় তুষ্ট হয়ে তাকে বর দিয়েছিলেন যে শিব-পুত্র ছাড়া অন্য কেউ তাকে বধ করতে পারবেন না। ব্যাস! তারকাসুর তো মনে করল সে এবার অমর। কারণ দেবী সতী তো আত্মহতি দিয়েছেন। আর শিব তখন তপস্যমগ্ন। তাই তারকাসুরের বাড়-বাড়ন্ত শুরু হলো। স্বর্গ ও মর্ত্য দখল করে শুরু করলো সকলের উপর অত্যাচার। সর্বত্র ত্রাহী ত্রাহী ভাব। সকল দেবতা তখন ব্রহ্মার শরণাপন্ন হলেন। ব্রহ্মা আবার শ্রীবিষ্ণুর শরণাপন্ন হলেন। সকল দেবতার মিলিত পরামর্শে দেবী পার্বতী আবির্ভূত হলেন। অনেক ঝুট ঝামেলা পোহানোর পর বারানসীতে শিব-পার্বতীর বিয়ে হল। এর কিছুকাল পরে কার্তিকের জন্ম হলো। দেব সেনাপতি কার্তিক বড় হতে আরও কিছু সময় লাগলো। ততদিনে তারকাসুর স্বর্গ ও মর্তে ক্ষমতা কায়েম করে বিরাট অরাজকতা সৃষ্টি করেছে। এই চরম অবস্থায় কার্তিক তারকাসুরকে বধ করে সকলকে স্বস্তি দিলেন। সেইদিন তারকাসুরকে বধের সেলিব্রেশনের জন্য বারানসীতে গঙ্গার ঘাটে অসংখ্য প্রদীপ জ্বালানো হয়। সকলে ধন্যবাদ জানান মহাদেব ও দেব সেনাপতিকে। সেদিন ছিল আজকের মতোই পূর্ণিমা। মাসটিরও নাম হয় শিব পুত্রের নামে।
সেই পরম্পরা অনুযায়ী আজও বারাণসীতে পবিত্র গঙ্গার ঘাটে অসংখ্য প্রদীপ জ্বালিয়ে কার্তিক ও শিবজিকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করা হয়। সূচিত হয় দেব দীপাবলি।
জগদ্ধাত্রী পূজা
জগদ্ধাত্রী পূজার দুটি কল্প।
প্রথম কল্প -
'সপ্তম্যাদি নবম্যন্তং পূজাকালমিতীরিতম্।
ত্রিদিনে ত্রিবিধাপূজা দশম্যাঞ্চ বিসর্জয়েৎ।।
- নিগমকল্পসারে জ্ঞান সারস্বত
অর্থাৎ, সপ্তমী থেকে নবমীপর্যন্ত তিন তিথি পুজার কাল এই তিন তিথিতে তিন পূজা করে দশমীতে বিসর্জন করবে।
দ্বিতীয় কল্প -
"কার্তিকে শুক্লপক্ষে তু নবম্যাং জগদম্বিকাম্।
দুর্গাং প্রপূজয়েন্তক্ত্যা ধৰ্ম্মকামার্থসিদ্ধয়ে॥”
- কুব্জিকা তন্ত্র
অর্থাৎ ধর্ম অর্থ ও কামনা সিদ্ধির জন্য কার্তিক মাসের শুক্ল পক্ষের নবমীতে ভক্তিপূর্বক জগদ্ধাত্রী মাতা দুর্গার পূজা করবে।
আবার মায়া তন্ত্রে বলা হয়েছে-
'প্রপূজয়েদ জগদ্ধাত্রীং কার্তিকে শুক্লপক্ষকে। দিনোদয়ে চ মধ্যাহ্নে সায়াহ্নে নবমেহনি।।”
অর্থাৎ, কার্তিকমাসের শুক্লপক্ষের কেবল নবমীতেই ত্রিকালে - পূর্বাহ্ণ, মধ্যাহ্ন ও সায়াহ্নে তিনবার জগদ্ধাত্রীর পূজা করবে।
এই পূজায় নিত্যত্ব ও কাম্যত্ব দুই-ই আছে। শক্তিসঙ্গমতন্ত্রে বলা হয়েছে -
'কার্তিকস্য সিতে পক্ষে নবম্যাং জগদীশ্বরীম্। ত্রিকালমেককালং বা বর্ষে বর্ষে প্রপূজয়েৎ।।
অর্থাৎ, প্রতি বছর কার্তিকমাসের শুক্লপক্ষের নবমীতে ত্রিকালে - পূর্বাহ্ণ, মধ্যাহ্ন ও সায়াহ্নে অথবা কেবল পূর্বাহ্ণে জগদ্ধাত্রীর পূজা করবে।
যাঁরা কেবল নবমীতে ত্রিকালে পূজা করেন তাঁদের ক্ষেত্রে উভয়দিনে নবমী তিথি থাকলে যেদিন সূর্যোদয় নবমী তিথি পাবে সেদিনই পূজা হবে। এ বিষয়ে পঞ্জিকাতে জগদ্ধাত্রী পূজার দিন নিরূপিত থাকে।
বলিদান কখন হবে ?
এক্ষেত্রে কেবল নবমীতে পূজা হলে, দশমী তিথিতে বলিদানের কাল হতেই পারে। অর্থাৎ নবমী ও দশমী তিথি যুগ্মতা আশ্চর্যের নয়। কিন্তু আমরা জানি, শাস্ত্রে দশমীতে বলিদান নিষিদ্ধ। দশমীতে বলি হলে রোগ ও নানা উৎপাতের জন্য রাজ্য নাশ হয়। কিন্তু কেবল নবমীতে জগদ্ধাত্রী পূজা হলে দশমী তিথিকালেও বলিদান গ্রাহ্য। নিগম কল্পসারে স্বয়ং মহাদেব বলছেন -
নবমীদিনমাশ্রিত্য পূজাবিধিরিহোদিতঃ।
দশম্যাং বলিদানন্ত নিষিদ্ধং নাত্র পার্ব্বতি!॥"
অর্থাৎ যেখানে নবমী যুক্ত দিন ধরে পূজা বিহিত হয়েছে সেখানে দশমীতে বলিদান নিষিদ্ধ নয়।
জগদ্ধাত্রী পূজার সংকল্প ও দক্ষিণা বাক্যে সৌর মাসের উল্লেখ হবে কারণ জগদ্ধাত্রী তন্ত্রোক্ত পূজা।
হোম কখন করব ?
পূজার অন্তে হোম কর্তব্য। যদি কেবল নবমী তিথিতে পূজা হয়, তাহলেও একদম পূজার শেষেই হোম করতে হবে।
দেবী জগদ্ধাত্রী সিংহবাহিনী হলেও এই পূজায় বোধন, নবপত্রিকা, সন্ধিপূজা এসবের কোন বিধান নেই। ভক্তি অবশ্যই দরকার, কিন্তু বিধিসম্মত পূজাই কাম্য। বিধি না মেনে, ভক্তির দোহাই দিয়ে যথেচ্চাচার করলে প্রত্যব্যয় হয়।
ভগবান শিবের প্রসাদ কি খাওয়া যায়, নাকি খাওয়া উচিৎ নয় ?
প্রশ্ন: ভগবান শিবের প্রসাদ কি খাওয়া উচিত?
উত্তর: হ্যাঁ, খাওয়া উচিৎ। ভগবান শিবের উদ্দেশ্য উৎসর্গ করা প্রসাদ যেমন ফল, মিষ্টি, নৈবেদ্য বা রান্না করা ভোগ যা যা ভগবান শিবের সামনে নিবেদন করা হয়েছে কিন্তু শিবলিঙ্গে স্পর্শ করানো হয়নি, এগুলোই আমরা সাধারণত মহাদেবের প্রসাদ হিসেবে গ্রহণ করতে পারি।
প্রশ্ন: শিবলিঙ্গে উৎসর্গ করা প্রসাদ খাওয়া উচিৎ নয় কেন?
উত্তর: শিবলিঙ্গে সরাসরি নিবেদন করা জল, দুধ, বেলপাতা বা পঞ্চামৃত এগুলোকে বলা হয় নির্মাল্য, যা শুধুই ভগবান শিবের। শাস্ত্র মতে এ প্রসাদের উপর অধিকার থাকে শিবের মহান ভক্ত চণ্ডেশ্বরের, যিনি শিবের প্রসাদ রক্ষা করেন। তাই শিবলিঙ্গের স্পর্শ করা প্রসাদ গ্রহণ করা অনুচিত বলে মানা হয়। শিবলিঙ্গে অভিষেকের পঞ্চামৃত চরণামৃত হিসাবে সরাসরি পান না করে শ্রীবিষ্ণুর চরণামৃতের সাথে মিশিয়ে পান করতে হয়।
পঞ্চরত্ন - মণি, মুক্তা, প্রবাল, স্বর্ণ, রৌপ্য।
পঞ্চগব্য - দধি, দুগ্ধ, ঘৃত, গোময়, গোরোচনা।
পঞ্চপল্লব - আম্র, বট, অশ্বত্থ, পাকুড়, যজ্ঞ ডুমুর।
পঞ্চশস্য - ধান, যব, মুগ, মাসকলাই, শ্বেত সরিষা।
পঞ্চ উপাচার - গন্ধ, পুষ্প, ধূপ, দীপ, নৈবেদ্য।
পঞ্চ পুরশ্চন - জপ, হোম, তপন, অভিষেক, ব্রাহ্মণ ভোজন।
পঞ্চযজ্ঞ - ব্রহ্মযজ্ঞ, দেবযজ্ঞ, নৃপযজ্ঞ, পিতৃযজ্ঞ, ভূতযজ্ঞ।
পঞ্চশুদ্ধি - আসনশুদ্ধি, স্থান শুদ্ধি, মন্ত্রশুদ্ধি, দ্রব্যশুদ্ধি, দেবশুদ্ধি।
পঞ্চবাদ্য - ঢাক, মৃদঙ্গ, কাংস, শঙ্খ, মুখবাদ্য বা উলুধ্বনি।
পঞ্চপূজা - অভিমান, উপাদান, যোগ, স্বাধ্যায়, ইচ্ছা।
উপাচারের অধিপতি দেবতাগণ
গন্ধপুষ্পে তথা ধূপো দীপো নৈবেদ্যপঞ্চমঃ ।
যদ্দীয়তে ফলং বস্ত্রমলঙ্কারাদিকাঞ্চনম্ ॥
তেষাং দৈবতমুদ্দেশংকৃত্বা প্রোক্ষণপূজনে ।
উৎসৃজ্য মূলমন্ত্রেণ প্রতিনাম্না নিবেদয়েৎ ॥
বরুণস্য চ বীজেন তেষাং সেচনমাচরেৎ ।
অন্নস্য দেবতা লক্ষ্মীরংশুকেহপি বৃহস্পতিঃ ॥ সুবর্ণমগ্নিদেবঞ্চ রজতঞ্চন্দ্রদৈবতম্।
হারকং বারুণং জ্ঞেয়-মাসনে পৃথিবী তথ ॥
জলস্য বরুণো দেবঃ পেয়ানাং বরুণস্তথা।
কৃশরস্য রমা দেবী পরমান্নস্য চৈব হি ॥
ঘৃত-প্রদীপকে বিষ্ণুস্তৈল-যোগে বনস্পতিঃ। গন্ধর্ব্বশ তথা ধূপে বাজে বৈশ্বালি-দৈবতম্ ॥
মধু বারুণকং জ্ঞেয়ং দধি ক্ষীরঞ্চ বৈষ্ণবম্ ।
বানস্পত্যং তথা পুষ্পং গান্ধর্ব্বো গন্ধদৈবতঃ ।
মালায়াশ্চ তথা দুর্গা সর্ব্বং বা বিষ্ণুদৈবতমিতি ॥
-- শিবাচ্চনচন্দ্রিকাধৃতযোগিনী তন্ত্র
অধিপতি দেবতাগণ
১,আসন - পৃথিবী
২,পাদ্যজল - বরুন
৩,অর্ঘ্য - বনস্পতি
৪,আচমনীয় - বরুন
৫,মধুপর্ক - বরুন
৬,পুনঃআচমনীয় - বরুন
৭,গন্ধ তৈল - গন্ধর্ব
৮,স্নানীয় - বরুন
৯,পঞ্চামৃত স্নানীয় - শ্রী বিষ্ণু
১০,বস্ত্র - বৃহস্পতি
১১,যজ্ঞোপবীত - বৃহস্পতি
১২,শঙ্খবলয় - বরুন
১৩,স্বর্নাভরন - অগ্নি
১৪,রজতাভরন - চন্দ্র
১৬,পুষ্পাভরন - বনস্পতি
১৭,গন্ধ - গন্ধর্ব
১৮,রক্ত চন্দন - দুর্গা
১৯,সিন্দুর - বৃহস্পতি
২০,আলতা - প্রজাপতি
২১,কাজল - অগ্নি
২২,হরিদ্রা - বনস্পতি
২৩,তিলকাক্ষত - প্রজাপতি
২৪,সৌভাগ্য সূত্র - প্রজাপতি
২৫,কঙ্কতিকা(চিরুনী) - যম
২৬,দর্পন - সূর্য
২৭,পুষ্প - বনস্পতি
২৮,পুষ্পমালা - দুর্গা / বনস্পতি
২৯,বিল্বপত্র - ত্রিদেব / বনস্পতি
৩০,বিল্বপত্রমাল্য - বনস্পতি
৩১,পঙ্কজ পুষ্প - সমুদ্র
৩২,কুলকুসুম - অনঙ্গদেব
৩৩,দুর্বা - বনস্পতি
৩৪,ধূপবি- গন্ধর্ব/
৩৫,যজ্ঞঘৃত ও সরঞ্জাম - বৈশালী
৩৬,যজ্ঞ - ত্রিদেব
৩৭,ঘৃত প্রদীপ - বিষ্ণু
৩৮,তৈল প্রদীপ - বনস্পতি
৩৯,আমান্ন নৈবিদ্য - প্রজাপতি
৪০,ঘৃতান্ন নৈবিদ্য - বিষ্ণু
৪১,আমিষান্ন - অন্নপূর্না/প্রজাপতি
৪২,কৃশোরান্ন(খিচুরী) - রমা
৪৩,পরমান্ন - রমা
৪৪,দুধ, দই, ঘী, মধু, ক্ষীর - বিষ্ণু
৪৫,মধু - বরুন
৪৬,কারন - বারুনী
৪৭,শুদ্ধ্যাসব - অগ্নি
৪৮,পানীয় - বরুন
৪৯,তম্বুল ও পুগীফল - বনস্পতি
৫০,পুনঃ আচমনীয় - বরুন
৫১,তালবৃন্ত - শ্রী উত্তানাঙ্গিরসে
৫২,চামর - শ্রী উত্তানাঙ্গিরসে
৫৩,ছাত্র - শ্রী উত্তানাঙ্গিরসে
৫৪,বাদ্য ঘন্টা - ইন্দ্র
৫৫,কুষ্মান্ডাদি বলি - বনস্পতি
৫৬,ছাগ বলি - বহ্নি
৫৭,মেষ বলি - বরুন
৫৮,মহিষ বলি - যম
৫৯,পক্ষী বলি - পবন
৬০,মৎস বলি - বরুন
৬১,ম-কার - কালিকা
৬২,ঘাত খর্গ - ত্রিদেব ও ত্রিদেবী
৬৩,সর্বক্ষেত্রে শ্রী বিষ্ণু