কবিতা : জন্মদিনে
জীবৎকাল;
দেখিতে দেখিতে গত কতটা সময়,
হয়তো অষ্টসিদ্ধির হইয়াছে পরাজয়!
পাইয়াছো কত বেদনা আর ক্লেশ;
তাহাতে কি হর্ষের হইয়াছে শেষ?
দিব্যি;
বিরহের আনলে পুড়িলেও
অম্লানবদনে রাখিও হাসির রেখা।
বক্ষে ধারণ করিও এ শপথ ।
স্বাচ্ছন্দ্য ;
যাহারা অন্তর্দাহে বিরহাতুর হয় না,
তাহারা সুখনিদ্রায় রহিতে পারে না!
এ জীবনে ভালো থাকিতে -
প্রত্যাশার ডায়েরি হইবে ক্ষুদ্র করিতে।
প্রণয়;
এ জনমে কাউকে আপন ভাবিতে,
ভাবিও বহু বার -
যেথা তুমিহীনা সবে স্বার্থপর...
নিঃসঙ্গতা ;
যখন নিজেতে বড্ড একলা ভাবিবে
প্রকৃতির সহিত হারাইয়া যাইবে,
যখন জীবনের প্রতি বাড়িবে ক্ষোভ,
তাকিও নীলাদ্রি গগণে ভুলিবে সব।
সুখ ;
সুখ সে তো শুক পাখি! অহেতুক,
একে মনের পাড়ায় ডাকাডাকি।
ও বধির, দৃষ্টিহীন- থাকুক নিজের মতো।
মনুষ্য;
ধরার শ্রেষ্ঠ সৌন্দর্য্য -
তবু মোদের অহমিকা না সাজে।
যব যার জন্ম কিঞ্চিৎ অপবিত্র ইলা নিয়ে,
আর সমাপ্তি মৃত্তিকা মধ্য দিয়ে।
আসলে;
সেই যে শুরু আর যেথা শেষ,
তন্মাধ্য রয়ে যায় কত না দ্বেষ! আহ্!
কলহে কলহে ওপারে পারি জমানো।
ফেরা ;
খুউব স্বল্প সময় লইয়া আসিয়াছো-
এ অবনি 'পরে। প্রাচুর্যের মোহে,
ভুলিও না আপন খোদারে! নির্বাক!
হঠাৎ-ই এসে যাবে মহাযাত্রা'র ডাক।
কবিতা : একটু সুখের সন্ধানে
এই পৃথিবীর কোলাহল ছেড়ে
নিত্যভাবি যাবো বহুদূরে।
যেখানে থাকবে নাকো লোকের ভিড়
গড়ব সেথায় শান্তির নীড়।
অশান্তির কোপানলে পুড়ছি
ব্যাদনার অট্টালিকা নির্মাণ করছি।
রুদ্ধ-সিদ্ধ প্রতিটা প্রশ্বাস
কবে যে ছাড়ব প্রশান্তির নিঃশ্বাস।
আমার হৃদয় পঁটে আকি
সুখময় দিনগুলির ছবি,
কিন্ত কোনো এক ঝড়ে
সুখের স্বপ্নগুলো চাপা পরে।
তবুও নিতরাং একা ভাবি
অপূর্ণ এ হিয়ার দাবি।
পূরণ করিতে কি পারবি?
নাকি জীবনের দূরে হেরে যাবি!