VIDEOS
SCREENSHOTS AND SCRIPTS
১. মডেলিং (Modeling):
“এই ধাপে আমরা ৩ডি অবজেক্ট বা ক্যারেক্টার তৈরি করি। সাধারন শেইপ দিয়ে শুরু করা যায় যেমন: কিউব, সিলিন্ডার, স্পিয়ার।”
২. টেক্সচারিং (Texturing):
“এখানে রঙ, ম্যাটেরিয়াল, এবং টেক্সচার যোগ করে অবজেক্টকে আরও বাস্তব দেখানো হয়।”
৩. রিগিং (Rigging):
“রিগিং মানে চরিত্রের শরীরে হাড় বা স্কেলেটন বসানো। এতে করে হাত-পা, মাথা ইত্যাদি নড়ানো যায়।”
৪. অ্যানিমেশন (Animation):
“এবার আসল কাজ – চরিত্র বা বস্তু নড়াচড়া করানো। কীফ্রেম দিয়ে প্রতিটি অ্যাকশন ঠিক করা হয়।”
৫. লাইটিং ও ক্যামেরা:
“আলো এবং ক্যামেরার অ্যাঙ্গেল ঠিক করে সিনটিকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলা হয়।”
৬. রেন্ডারিং (Rendering):
“সবশেষে রেন্ডার করা হয়, মানে পুরো অ্যানিমেশনটি একটি ভিডিও ফাইলে রূপান্তর করা হয়।”
বেসিক জিওমেট্রি :
প্রাথমিক আকৃতির জন্য একটি সাদাসিদের জিওমেট্রিক নির্বাচন করতে হবে যেমন একটি ঘন গোলক বাস সিলিন্ডার তারপরে এডিটিং এজ এবং ফেস গুলোকে নির্বাচন করে স্থান পরিবর্তন একত্রিত করতে হবে দিনগুলোর আকৃতি ও গঠন পরিবর্তন করা হয়
ডিটেইলিংঃ
সূক্ষ্মতা যোগ করে প্রয়োজন অনুযায়ী আরো পলিগণ যুক্ত করতে হবে এটি অতিরিক্ত ভারটেক যুক্ত করে যাতে অভ্যন্তরীণবাদী আকৃতি টেকচারিং মডেল তৈরি করার পর আবার আমরা দান যোগ করতে পারব যা মডেলটির দেশে মনে তা এবং বাস্তবতা উন্নত করতে পারে
স্কাল্পাটিংঃ
হলো থ্রিডি মডেল তৈরীর একটি প্রাকৃতিক এবং এখানে মাটির মত ডিজিটাল ফ্লেভার করে অবজেক্ট তৈরি করা হয় এটি সাধারণত শিল্পীদের জন্য বিশেষ একটি পদ্ধতি যা বাস্তব জীবনে মূর্তি বা মাটির কাজ করে প্রক্রিয়ার সঙ্গে তুলনীয় এর বিভিন্ন দিক এবং বিষয় বিস্তারিত আলোচনা করা হলো .