প্রতিষ্ঠিত 01 আগস্ট, 2013
প্রধান কার্যালয় - ফতেপুর * আমতা * হাওড়া – ৭১১৪০১
Mob.No – 8017596804 ধন্যবাদান্ত
(সভাপতি, কার্যনির্বাহী কমিটি)
Official Website – www.alordisha.net.com
Official Facebook Fan Page – www.facebook.com/আলোর দিশা Or Alor disha drawing education center.
অধ্যক্ষ বক্তব্য
আলোর দিশা ড্রইং এডুকেশন সেন্টার - পঞ্চম বর্ষে অনুষ্ঠানে প্রকাশিত এই পত্রিকার মাধ্যমে ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা জানাই সাংস্কৃতিক প্রেমী সেই সমস্ত শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং সংস্কৃতি অনুরাগী মানুষ যাদের সহযোগিতায় এবং পৃষ্ঠপোষকতায় এই প্রতিষ্ঠানের আজ প্রায় ছয় বছর অতিক্রম করল. 2013 সালের রোপিত হওয়ায় ক্ষুব্ধ সংস্থার বীজ সাংস্কৃতিক মানুষদের সযত্নে আজ বৃহৎ পরিণত হয়েছে প্রতিটি এলাকায় আমতা - বাগনান থানার প্রতিটি এলাকার গন্ডিতে বৃদ্ধি পেয়ে-"" আলোর দিশা ড্রইং এডুকেশন সেন্টার""- আজ আমাদের উপস্থিতি বিদ্যমান . প্রতিষ্ঠান এই এগিয়ে যাওয়ার জন্য যারা সব থেকে বেশি পরিশ্রম করছে তারা হলেন আমাদের সকল শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং কর্ম সকল সদস্যগণ পঞ্চম তম অনুষ্ঠানে পক্ষ লগ্নে আমি তাদের সকলকে সকলকে প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা জানাই.
সাংস্কৃতিক জগতে বর্তমানে একটি অদ্ভুত উভয় সংকটের মধ্যে দিয়ে ধাবমান. একদিকে আমরা ভালো লাগার জন্য ভালোবাসার জন্য সাংস্কৃতিক চর্চা করতে চাই অন্যদিকে কেরিয়ারিস্টিক ইঁদুর দৌড়ের জীবনের ঘেরাটোপে বন্দী . আমরা . একদিকে গান , আঁকা কিংবা আবৃত্তি আমাদের অন্তরের মধ্যে লুকিয়ে থাকা চিন্তা গুলো বিকশিত হওয়ার আবেদন জানাই. অন্যদিকে মধ্যবিত্ত বাঙালি সমাজে ক্যারিয়ার গড়ার চাপ ঘিরে ধরে আমাদের ভবিষ্যৎ গড়ার যান্ত্রিকতায় ঘড়ির কাটার মাপতে থাকে পড়াশোনা আর সাংস্কৃতিক চর্চার অনুপাতিক ঘণ্টার হিসাবকে, কৌশল জীবনে আজ বড়ই অসহায় হয়ে পড়েছে - চাইলে মন খুলে গান গাওয়া যায় না, ছবি আঁকা যায় না, নাচ করা যায় না, কিংবা আবৃত্তি করা যায় না . আর আমাদের কাজটা ঠিক এখানেই. গ্রামের হাজার হাজার সাংস্কৃতিক প্রেমে মানুষ , ছাত্রছাত্রী সাংস্কৃতিক চর্চা করা . মনে করতে পারেন এবং প্রয়োজনীয় এই সাংস্কৃতিক নিয়ে যাদের জীবিকা ও চালাতে পারে তার জন্য প্রতিনিয়ত কাজ করে চলেছে. আমাদের প্রতিষ্ঠানের কিছু শিক্ষক-শিক্ষিকারা মারফত আমাদের সাথে যুক্ত থেকে প্রতিনিয়ত ও সাংস্কৃতিক চর্চার পাশাপাশি পেশাদায়িত্ব আবদ্ধ হয়েছেন . এমনিতেই একশরও বেশি ছাত্র-ছাত্রী যুক্ত রয়েছেন সাংস্কৃতিক চর্চা ও শিক্ষা গ্রহণের জন্য সব মিলিয়ে সাংস্কৃতিক চর্চা ও সাংস্কৃতিক নিয়ে পেশাদার ভাবে জীবন চালানোর জন্য কাজ করে চলেছে আমরা, সাংস্কৃতিক চর্চার ক্ষেত্রে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের পাশাপাশি অভিবাবক অভিভাবকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ . আমরা তাদের কাছে কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি কারণ তাদের ইচ্ছা ব্যতীত আমরা গ্রামের এত সংখ্যক ছাত্র-ছাত্রী পেতাম না. তাদের সাংস্কৃতিক মন ও চিন্তাধারা তাদের সন্তানদের মধ্যে দিয়ে ফুটে ওঠে তবে , অনেক সময় আমরা লক্ষ্য করেছি-- যে তারা সন্তানের সংস্কৃতি চর্চা কে ক্যারিয়ার সাথে জুড়ে দিতে চাইছে, ""সন্তানের অনেক কম বয়স থেকে -- সংস্থার পক্ষ থেকে আমার বিনীত অনুরোধ জানায় যে শৈশব সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে শিশুদের খোলা মনে করতে দিন তাদের ইচ্ছা ও প্রতিভা অনুযায়ী একদিন নিশ্চিত ভালো কিছু করতে পারবে .
পরিশেষে আবার আমাদের পাশে থাকা প্রত্যেক সাংস্কৃতিক মনস্ত ব্যক্তি দিয়ে কৃতজ্ঞতা জানাই. আমরা ভবিষ্যতেও দেশের সাংস্কৃতিক অতন্ত প্রহরী হিসেবে কাজ করে যেতে চাই এবং সেই শিক্ষা ও সংস্কৃতির ধারা বজায় রাখতে চাই . যে শিক্ষায় কঠিন শৃংখল নেই বয়সের বেড়াজাল নেই নেই প্রচুর অর্থ ব্যয় বিলাসিতা.
পরিবর্তে আছে সর্ব বাধামুক্ত, সতত অনুশীলনের উদার উন্মুক্ত ক্ষেত আর ব্যক্ত আয়োজন. নবীন প্রজন্মকে আরো অনেক বেশি করে সাংস্কৃতিক চর্চার আহ্বান জানায়. সৃজনশীলতা বেঁচে থাকুক মুক্ত আকাশে ডানা মেলে চিন্তাগুলো ফুটে উঠুক সৃষ্টির প্রতি রন্ধ্রে রন্ধ্রে.
ধন্যবাদন্তে
(অধ্যক্ষ, কার্যনির্বাহী) .
আলোর দিশা ড্রইং এডুকেশন সেন্টার
ভূমিকা
মানুষ মরণশীল।অনিত্য এই সংসারে সবই পরিবর্তনশীল। এই পরিবর্তনশীলতার মধ্যে নিজেদের ধরে রাখা সত্যিই কঠিন। এই কাঠিন্যের মধ্যে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হল মানিসিক কাঠামোকে ঠিক রাখা। মনের সাথে শরীরের যোগ নিবিড়। তাই শরীর আর মন দুই-ই ঠিক রাখতে গেলে সঙ্গীতচর্চা একান্তভাবে প্রয়োজন। এর বৈজ্ঞানিক ভিত্তি রয়েছে। ছবি আঁকা, ইত্যাদির মধ্য দিয়ে মানসিক চাপ(Tension)কমাতে পারি। তার ফলে যেমন হৃদরোগ এড়ানো সম্ভব তেমনি পাশাপাশি সৃজনশীল কিছু করা যায়।এর মধ্য দিয়ে দৈহিক, সামাজিক, আর্থিক, মানসিক তৃপ্তি লাভ সম্ভব হয়। “আলোর দিশা ড্রয়িং এডুকেশন সেন্টার
( সাংস্কৃতি ও তথ্য বিভাগ )” বর্তমান যন্ত্র সভ্যতার যুগে এই সকল বিভিন্ন প্রয়োজনীয়তার প্রতি দৃষ্টি রেখে সার্বিক মানব কল্যাণের, শিল্প ও শিল্পীকে যথাযোগ্য মর্যাদা দেওয়ার উদ্দেশ্যের প্রতি সতর্ক দৃষ্টি রেখে পরিচালিত হচ্ছে। বর্তমানের “শিল্পী সমাজ” অত্যন্ত দুঃস্থ, আর্থিক ভাবে দুর্বল। তাই তাঁদের শিল্পকর্ম যাতে বিদেশের বাজারে বিক্রয়ের মাধ্যমে কিছু আর্থিক সহায়তা করা যায় তার প্রতি “আলোর দিশা ড্রয়িং এডুকেশন সেন্টার( সাংস্কৃতি ও তথ্য বিভাগ )” দৃষ্টি রাখছে। এই “বঙ্গীয় কলা বিদ্যালয়” স্বীকৃত মঞ্জুরী কমিশন কর্তৃক অনুমোদনাপক্ষারত এর উদ্দেশ্যগুলি হল :-
(1) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ সমস্ত ছাত্র/ছাত্রীকে প্রতি বৎসর আভিজ্ঞান পত্র/উপাধিপত্র প্রদান করা।
(2) জ্ঞানী-গুণীজনের সম্বর্ধনার ব্যবস্থা গ্রহণ ও বিভিন্ন প্রতিযোগিতার জন্য কেন্দ্র থেকে সহযোগিতা করা।
(3) পুরনো ছবির সংরক্ষণ সম্বন্ধে প্রশিক্ষণ প্রদানের ব্যবস্থা করা।
(4) দুঃস্থ শিল্পীদের আর্থিক অনুদান প্রদান করা।
(5) নিজস্ব বাৎসরিক ‘পত্রিকা’ প্রকাশ করা।
(6) প্রিন্টিং-এর কাজ শেখানো।
(7) সৃজনশীল কাজের প্রদর্শনীর ব্যবস্থা করা।
(8) বাৎসরিক অনুষ্ঠান ও সকল কেন্দ্রাধ্যক্ষগণকে আমন্ত্রণ ও তাঁদের মতামত জানা বা জানানোর ব্যবস্থা করা।