দিনটি ছিল 1st ফেব্রুয়ারি 2021 .
ওই দিন আমরা নেত্রকোণার ভ্রমণের জন্য বের হয়ে।
আমরা 31 তারিখ রাত দশটার ভিতরে নাইমের বাসায় উপস্থিত থাকি। এই যাত্রায় আমরা মোট 14 জন বন্ধু মিলে ঘুরাঘুরি করি। রাত তিনটার দিকে নাইমের বাসা থেকে বের হয়ে আমরা সবাই হেঁটে হেঁটে রায়েরবাগ যাই। রায়েরবাগ থেকে আমরা প্রাইভেট মাইক্রো গাড়ি তে ওঠে যাত্রা শুরু করে। রাত সাড়ে চারটে নাগাদ আমরা গাজীপুর হোতাপাড়া স্থানে পৌঁছে চা খাবার বিরতি নেই। কল্পনা করতে পারিনি যে বাংলাদেশে এত ঠান্ডা ও আছে। প্রায় 9 ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল তখন। আমরা 11 জন দুই তিনটা জামা এবং শীতের পোশাক পড়ার পরও ঠান্ডা সামলাতে পারছিলাম না। এরপর আবার গাড়িতে উঠে আমরা নেত্রকোণার উদ্দেশ্যে রওনা হই। সকালের দিকে ময়মনসিং পৌঁছে। এত কুয়াশা যে দশ হাত সামনে কি আছে তা দেখা যাচ্ছিল না। তাই আমাদের গাড়ির মামা খুব আস্তে গাড়ি চালাচ্ছিল।ব্যাক করে দুর্গাপুরের রাস্তায় চলা শুরু করে।অবশেষে নয়টার দিকে আমরা নেত্রকোনার দুর্গাপুর অঞ্চলে গিয়ে পৌঁছায় এবং সকালের নাস্তা সম্পন্ন করি। নাস্তা খাবার পর সবাই ছবি তোলা নিয়ে ব্যস্ত হয়ে গেল রাস্তার মধ্যেই। এরপর আমরা দুটি অটো ভাড়া করি 2000 টাকা দিয়ে।এই অটোই আমাদের নেত্রকোনার দর্শনীয় স্থানগুলো ঘুরে ঘুরে দেখাবেন।সোমেশ্বরী নদীতে এসে দেখি যে নদী সম্পূর্ণ শুকিয়ে গেছে শীতকাল হওয়ার কারণে।আমরা যে অটো করে এসেছিলাম সেটি সমস্যারই নন্দিনী যে প্রান্ত থেকে এসেছে ওই প্রান্ত থেকে ওই স্থানের অটো এদিকে আসার নিষেধ তাই এদিকের অটোআলা কিছুক্ষণ ঝামেলা করলো কিন্তু অবশেষে ছেড়ে দিলো এবং আমরা সর্বপ্রথম গারদে স্মৃতিসৌধে গিয়ে পৌঁছায়। কিছু গ্রুপ ছবি তোলার পর আমরা নেত্রকোনা কমলা বাগানে ধুমাইয়া ছবি তোলা শুরু করি।আমার চশমা আমি নিজেই পাচ্ছিলাম না কারণ কখন কি নিয়ে যাচ্ছে ছবি তুলতে বুঝতেছিলাম না। কমলা বাগান এরপর আমরা বিরিশিরি তে যাই। তখন দুপুর একটা, এত রোদ যে ভালোভাবে তাকাতে পারছিলাম না। ওই স্থানে আমরা 3:30 পর্যন্ত অবস্থান করি।স্মরণীয় মুহূর্ত গুলো নিয়ে আলোচনা করছিলাম। তারপর আমরা নেত্রকোণার সদরে এসে পৌঁছে যাব দুপুরের নাস্তা খাই। নাস্তার ভিতরে ছিল মুরগির ভাত ডাল ডিম। খাওয়া শেষে মূত্র বিসর্জন করে আমরা গাড়িতে উঠে এবং ঢাকার উদ্দেশে রওনা হই। দুর্ভাগ্যবশত আমি মাইক্রোর দ্বিতীয় সারিতে বসে ছিলাম।বসেছি বলতে ভুল হবে , ব্যাপারটা হলো বসা এবং দাঁড়ানোর এর মধ্যবর্তী অবস্থানে ছিলাম। পিঠ খুব ব্যাথা হয়ে যাচ্ছিল। তারপর খুব বড় জ্যামে ফেঁসে গেলাম। মাশরুমের বন্ধু ময়মনসিংহে শিফট হয়ে গেছে তাই আমরা পেট্রোল পাম্পের তেল ভরার পর চায়ের আড্ডা দিলাম ওদের সাথে। তারপর গাড়ি টানা শুরু করলো। রাতের দিকে আবার পড়লাম বিশাল জামে। কিভাবে আসতে আসতে প্রায় রাত ১টা পাড়ি দিল। শেষের দিকে ড্রাইভার সাহেব রেগে গিয়েছিল এবং গাড়ি কেয়ার হিন চালানো শুরু করেছিল।
দিনটা ছিলো ২/৯/২০২০
আমরা ১৭জন স্কুল Friend এ Trip টা তে যাই । রাত ৯ঃ৩০ এ আমরা বাসে উঠার অপেক্ষায় ছিলাম। চয়ন সবার late করে আসছিলো। তার পর বাসে উঠলাম। রাতে কুমিল্লাতে ১২টার পর রাতের বিরতির জন্য বাস থামলো। ঐ দিন নাইমের জন্মদিন ছিলো so সাকিব(কুত্তা) কেক নিয়া আসছিলো। কেক কাটার পর আমার বাসে উঠে যাই। বাসে soundbox নিয়ে আসছিলো।আরে উরাধুরা নাচানাচি করতেছিলাম আমরা ১৭জন।বাস কনট্রাকটর বার বার আইসা আমাদের off যাইতে বলতেছিলো কারন বাসে আরো লোক ছিলো তাদের disturbing হচ্ছিলো তাই। বাস যখন বান্দরবানের নিকটে রাত ৩ টার মতন বাজে তখন কি যে আকা বাকা রাস্তা ছিলো হায়রে। ভয়ে বিচি লক হয়ে যাবে সবার এমন অবস্থা। রাস্তাটা সত্যি বলতে সবাই অনেক Adventure feel করছিলাম।বাস আমাদের ভোর রাতে ৪ঃ৪৫ এর দিকে কাউনরটারে ৪রাস্তার মোরে নামিয়ে দেয়। চারিপাশ সম্পূর্ণ ফাকা।নেই একটি কাক পক্ষিও আমরা ১৭জন বাদে। কিছু সময় পর দেখি এক দোকানদার দোকান খুলতেছে।সেই দোকানে ২টা কলা আর রুটি খাইলাম সবাই। এর পর চাদের গাড়ি ৫হাজার টাকা দিয়ে ঐ স্থান থেকে রুমার জন্য ভাড়া করি। গাড়ির তুলনায় আমরা মানুষ ছিলাম অনেক বেশিই তাই ঠিক বসতে পারতেছিলাম না সবাই তাই অনেকে দাড়িয়ে ছিলাম সাথে আমিও। দাড়িয়ে যাওয়ার অনুভূতি টা অস্থির ছিলো, আমি উপরে দাড়িয়ে বসে গেছিলাম। যাওয়ার পথ মধ্যে মিলনছড়ি তে এক অপরুপ সূর্যউদয়ের দৃশ্য দেখেতো সবাই উল্লাসে আত্নহারা হয়ে দিছে এক চিৎকার। পরে ঐ মিলনছড়ি নেমে সবাই শুরু হয়ে গেলাম ছবি তুলায় ব্যাস্ত। নাফিজের One plus phone এর camera ভালো হওয়ায় সবাই লাইন ধরে ওর phone এ ই ছবি তুলা শুরু করলো। পরে আবার চাদের গাড়িতে উঠে রওনা দিলাম সবাই। দীর্য ৩-৪ ঘন্টা পর আমরা রুমা ব্জার আসলাম। তার পর গাইড ভাড়া করলাম আলমগীর মামা আর সাথে আরেক গাইড কারন ১৫জনের বেশি এক গাইডকে আর্মি নিতে দিবে না।তাই বাধ্য হয়ে আরেকটি গাইড ভাড়া করা লাগলো।তারপর সকালের নাস্তা সেরে নিলাম রুটি ডিম দিয়ে। এর পে রুমা থেকে বগালেকের দিকে যাএা শুরু করলাম। এই রুমা to বগালেক এর উচু নিচু পাহাড়ি রাস্তায় এসে চাদের গাড়ি পড়েই যাবে এমন অবস্তা। দেখেতো আবার বিচি লক পুরা। সবাই শুধু মুখে আল্লাহর নাম ও সুরা পড়া শুরু করলো। অবশেষে বগালেক আসলাম। এর পর রুগে গেলাম।জামাকাপড় Change করে বগালেকের লেকে গোসল করতে নামলাম। বগালেকের অপর নাম আঞ্চলিক ভাষায় "Dragon Lake" ও বলে। কথিত আছে যে এক কালে এখানে Dragon ছিলো। এর পর খাবার খেতে যাই। খাবারে ছিলো ভাত,মিষ্টিকুমড়া, ডিম,ডাল, কাচা হলুদের পাতার সালাদ। আহা কি যে মজার ছিলো সেই পাহাড়ি মিষ্টিকুমড়া টা যা আজও আমার মুখে যেন লেগে আছে। খাওয়া শেষে photoshoot শুরু উরাধুরা। রাতে Camp fire করে সবার মুখে গানের আসর। রাতে ঘুমানের আগে সবাই বারান্দায় বসে রাত ১২টার পরে নিজেদের জীবনে ঘটে যাওয়া ভৌতিক ঘটনা বলে এক ভুতের আসর বসাই। আসরটা খুব জমেছিলো। হঠাৎ কে যানি আমাদেরই ভিতরের কেউ বাইরে যেয়ে বারান্দায় পিছে এসো জেরে চিৎকার দেয়। সবাই ভয়ে চিল্লা চিল্লি মা গে মা কলিজা কেপে উঠেছিলো পুরা। আসে পাসের আর্মি কেম্প এর লোক বের হয়ে গেছিলো যে কি হইছে, কি হইছে। আর সবাই ঘুমের ভাং করে ওরে কি হাসি। এভাবেই রাত পার হলো। সকালে ৩টা ডিম আর রুটি কলা খেয়ে শুরু করলাম কিওক্রাডাং পর্বতের উদ্দেশ্যে পাছে চলা। কিছুক্ষণ চল্লেও ১ঘন্টা পর আবার সবার বিচি পুরাই লক। এতো দূর্গম পাহারি রাস্তা যেন পাড় করা মুসকিল। এক ঝর্না পেলাম তো পানির বোতলটি ভরে নিলাম। পিছে ভারি ব্যাগ নিয়ে আবার হাটা শুরু। হাটতেছি তো হাটতেছি পথের যেন শেষ নেই। মধ্য রাস্তায় চিংড়ি ঝরনা পেলাম। মন খুসিতে ভরে গেলো। আমি, ফয়সাল আর নিরব এ তিন জনই ঝর্নায় গোসল করলাম। তারপর আবার হাটা শুরু। এবার শক্তি নেই বলতে গেলে। তাও অনেক কস্টে দার্জিলিং পাড়াতে পৌছালাম। পরে হাল্কা খাবার খেয়ে আবার হাটা। সকাল ৯টায় হাটা শুরু করি আর বিকাল ৩-৪ টার দিকে কিওক্রাডাং পাহাড়ের চুরায় পৌছাই। প্রায় ৫ থেকে ৬ ঘন্টা পায়ে হেটে পাহাড়ি রাস্তা বেয়ে উঠি। পরে উপরের দৃশ্য দেখেতো মাথা নস্ট।এতো সুন্দর এ বাংলাদেশ তা জানাই ছিলো না। পরে খাবার খেয়ে বিরতি নেই। রাতে photoshoot করে ঘুমাতে যাই। সকালে উঠে দেখি প্রচন্ড মেঘে চারিপাশ ঢাকা। দেখে প্রানটা জুরিয়ে গেলো। পরে খাবার শেষে আবার নিচে নামা শুরু কবি,এবার বগালেক আসতে ৩ ঘন্টা লাগছে কারন পাহারি রাস্তায় তারাতারি নামা যায় শুধ উঠাই কঠিন। এর পর ঢাকার উদ্দেশ্যে চলে আসি বান্দরবান টিকেট কাউন্টারে। কারো কাছেই নাই বাসায় ফিরার টাকা। সবাই যে যেমনে পারে বিকাশে বাসা থেকে নিচ্ছিলো। আমি রাফার কাছ থেকে টাকা নেই পরে টিকেট কেটে বাসায় আসি। এ ছিলো সম্পূর্ণ trip টি
দিনটা ছিলো আগস্টের ৮, ২০২০
সবাই মিলে শারিঘাট যাবো plan করছিলাম। যেই কথা সেই কাজ। ৩টার দিকে আমি চৌরাস্তা অভি আর আল-আমীনের অপেক্ষা করতাছিলাম। late কইরা আসলো। আল-আমীন হাসিবকে নিয়া আনলো সাথে যাওয়ার জন্য কিন্তু হুন্ডায় উঠা যায় ৩ জন but লোক আমরা ৪জন। তাই আমি আল আল আমিন রিস্কা নিয়া রেদোয়ানের বাসায় যাই আর অভি ও হাসিব হুন্ডায় যায়। তার পর রেদোয়ানকে নিয়া শাহি বাজার গিয়ে বাকি লোকদের অপেক্ষায় করতাছিলাম।বাািরা অনেকটাই দেরি করে আসলো। সাথে দেখলাম আলি ও যাবে কিন্কু ও যানতো না যে আমি যামু কারন ওর সাথে আমার একটা ভেজাল চলতাছিলো। যাইহোক প্রথকে পানগাও যাই সবাই। গিয়ে তেতুলের চা খাইলাম আর কিছু pic তুল্লাম তারপর auto দিয়ে শারি ঘাট যাই। গিয়ে সবাই অনেক মজা করলাম। একটা সময় দেখি যে রাস্তার মাঝে অনেকটা অংশ পানি। যারা কেস জুতা পরছিলো ওরা আর আসতে পারতাছিলো না। পরে সমাজ সেবা করলো ওয়া রাস্তায় ইটা দিয়া দিলো but নিজেরা ভিজা গেলো। পরে একটা ছোট নদির মতন যায়গা পরে, ঐ জায়গায় আমি ২জনকে (পাপ্পু, unknown) কাধে করে পার করলাম তার পর আসার সময় ওরাই আসাকে কাধে নিয়া ফেল্লো আর coffin dance start করলো। পরে আইসা কায়েকি নৌকায় উঠলাম আমি রেদোয়ান আর আলি, তখন সন্ধা হয়ে গেছিলো। বলতে গেলে আমরা রাতের দিকে অন্ধকারে কায়েকি করেছি। াায়েকি শেষে দেখি আমার টাকা short। পরে রেদোয়ার ৪০টা দিলো আমার আর আমি ৩০।কায়েকি করতে per person 75tk. কায়েকি করার সময় এক নৌকার সাথে আমাদেরটা ধাক্কা খায় আর মাঝি লোকটা আমাদের প্রায় মারতেই নিছিলো। কায়েকি শেষে ঐ লোককে মারার জন্য সবাই খুজতাছিলাম but পাই নাই আর আসার সময় গাড়ি না পাওয়ার half রাস্তা হেটে আসছিলাম।
আমি আর অভি বাইকে করে যাইতাছিলাম high way তে 97 km/sec speed এ। ওর নাকি পাসপোর্ট করানো লাগবে তাই, যেয়ে দেখি office off তাই back আসতেছিলাম, তেল ভরলাম ৫০ টাকার তাও আমার পকেট থেকে। ভরা শেষে back আসতাছিলাম আর হঠাৎ আমি আর অভি রাস্তার পাশে বালির সমুদ্রের মত এক মরুভূমির ঠিক মধ্য স্থানে একটা দ্বীপের মতন দেখে curiosity feel করলাম তাই পকেট থেকে phone বের করে Vloging start করলাম। Click Here To See the Vlog that i made.
date -
দিনটা ছিলো। সকাল ৫ঃ৩০ এ বাসা থেকে বের হয়ে যাই আমি প্রায় কিছু না খেয়েই বের হয়ে যাই। সবাইকে call এর উপর call দিয়া অনেক কাহিনি কইরা রায়েরবাগ আনলাম, then এর পোলা নাকি singboard থেকা যািবো আর চিনে না তাই সবাই মিল্লা হালারে আনতে গেলাম singboard . Then অনেক অপেক্ষা কইরা একটা ঠিকানা bus পাইলাম আর ধুপ ধাপ উঠলাম সবাই। ৯ঃ১৫ তে পৌছাইয়া গেলাম। যাইয়া দেখি gate off, 11 টার আগে ডুকা যাইবো না। তো আসে পাসে ঘুরা ঘুরি করতাছিলাম। হঠাৎ চোখো ২ টা জমজ মেয়ে দেখলাম same age এর। just wow.. এতো সুন্দর যে আমিতো থ খাইয়া গেলাম। পরে eye contact. ১১ টার দিকে আরবিন, সৈকত ও ওদের দল বল আসলো micro দিয়া, then ওরা কাচ্চি খাইলো। দেইখা কস্ট পাইলাম 🥺। পরে টিকেট নিয়া ডুকলাম, ৫৫০ টাকায় all ride+ water, xosss.. আমরা সব dmrc এর পোলাপানই ছিলাম total 21 জন +। খালই মজা করলাম সবাই। ঐ জমজ মেয়ে গুলা আমার সামনে আসলো, সাথে একটা লোক, ভাবলাম বাপ লাগে maybe. then আমরা সবাই water এ গেলাম, যাইয়া দেখি ওরাও water এ। পোলাপানতো সব পটানোর জন্য pagol হইয়া উঠলো। আমরা কয়েকজন আলাদা হয়ে মজা করলাম, middle এ অভি একটা ভেজাল কইরা ফেললো এক মাইয়ার লগে তাই গেনজাম হিবো হইবো হইয়াও বাইচা গেলো সব, then সবাই আবার মজা করতাছিলাম। পানবতে ঢেউ ছিলো। ঐ জমজ মেয়ে গুলা নাকি prostitutes এই খোজ নিয়া আসলো আমাগো এক দাডিআলা বন্ধু। হালাই বহুত কাহিনি করলে but কাজ হলো না। পরে রাত হলো, photoshoot করলাম সব, রাতে বাসায় চলে আসলাম।
১২/৩/২০২০
দিনটা ছিল ১২/৩/২০২০ . আমি ,নাঈম,আব্দুল্লাহ এই ৩ জন মিল্লা যাই গুলিস্তান ইলেকট্রনিক মার্কেট আর উদ্দোশ্যে কারণ নাঈম খোঁজ দিসিলো যে আমাদের প্রজেক্ট আর সব পার্টস তার একটা চিনা দোকান থেকে পাইকারি মূল্য পাবো। আমি র নাঈম সকাল ৯;৩০ এ রায়েরবাগ থাকা গুলিস্তান যাই। জিয়া দেখি অনেক জ্যাম ফ্লাইওভার আর উপর টি বাকি রাস্তা হাইট্টা যাই। আব্দুল্লাহ রে কল দেই , ওই বললো যে ওর আসতে ৫ মিনিট লাগবে কিন্তু ওর আসতে ২৫ মিনিট+ সময় লাইগ্গা যায়। তারপর আমরা চিরুনি তল্লাশ এর মতো ওই লোক টার দোকান খুজতাসিলাম , দোকান আর নাম ছিল দোহা ইলেকট্রনিক। খুজতাসি তো খুজতাসি কিন্তু দোকান পাইতাসি না. অনেক খুজার পর শেষ এ দোকান তা পাইলাম। ৬.৫ হাজার ++ টাকার মাল কিন্না ফেললাম কিন্তু মনে ই হয় না যে কিছু কিন্সি। কিট কিন্না মারা খাইয়া গেসিলাম। তারপর সব হিসাব করার জন্য একটা হোটেল এ জাইয়া বইসা ৩টা সিঙ্গারা আর ৩ টা সমুচা খাইতে খাইতে সব হিসাব মেলাইলাম। তারপর আব্দুল্লাহ সব পার্টস গুলো নেয়া নিজের কাছে রাখলো টেস্ট করার জন্য যে সব ঠিক আসে কিনা। এই দিকে আমি আর নাঈম মিল্লা একটা মার্কেট এ গেলাম ইয়াসিন এর জন্মদিন এর গিফট দিতে শার্ট কিনতে। তারপর কিনা কাটি কইরা বাসায় চলে গেলাম
৩/৩/২০২০
দিনটা ছিল ৩/৩/২০২০। সকাল ৪ টার দিক এ গুম থেকে উঠলাম। আমার বরাবর ই সকাল এ ঘুম থেকে উঠা পড়ার অভ্ভাস জাস্ট পরীক্ষা এর দিন গুলোতে। ৩ তা ফুল টপিক বাকি পইড়া ছিল। আমি পরতাসিলাম আর আম্মু খাওয়াইয়া দিতেছিল। কোনো ভাবে খাওয়া শেষ কইরা আমি ৭'৩০ এর দিকে বাসা থেকে বাইর হইলাম। নাঈম রায়েরবাগ দাড়ায়া ছিল। ১০ টি আমাদের পরীক্ষা ছিল। শরীর টা বাস এ হঠাৎই খারাপ হইয়া যায়। বমি কইরা ফালাই হটাৎ। খুবি চিন্তায় পইড়া গেসিলাম। তাও কোনো মত এ ভার্সিটি পৌঁছায় তাও ৩০ মিনিট লেট কইরা পরীক্ষা দিতে। পরীক্ষা ভালোই হয়। ২৪/৩০ পাই। কিন্তু দিন টা খুবি কষ্টের ছিল