প্রতীক বৃত্তান্ত :প্রতীকটি শিল্ড বা ঢাল আকৃতির, সোয়াজইবি শিক্ষার্থীদের পাশে ঢাল হয়ে থাকতে চাই সেজন্য প্রতীকটিকে ঢাল আকৃতি দেওয়া হয়েছে।ঢাল আকৃতিটি গাঢ় সবুজ রঙ দ্বারা পরিবেষ্টিত, গাঢ় সবুজ ঢালটিকে তিনভাগে ভাগ করা হয়েছে, ভাগ তিনটি দ্বারা জীবনের গুরুত্বপূর্ণ তিনটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে (স্কুল, কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়) প্রতীকী হিসেবে বুঝানো হয়েছে। প্রতীকটির সবথেকে নিজের অংশে তিনটি লাভ চিহ্ন ব্যবহার করা হয়েছে, যার দ্বারা ভালোবাসার বন্ধন বুঝানো হয়েছে। এখানে অনেকের মধ্যে (দুইয়ের অধিক বা ততোধিক) ভালোবাসার বন্ধন বুঝাতে প্রতিকীরূপে তিনটি লাভ দেওয়া হয়েছে। লাভ চিহ্ন তিনটি একটি গাছের শেকড়ের সাথে সংযুক্ত, যার দ্বারা ভালোবাসার বন্ধনটির মূল উৎস হিসেবে আমাদের জন্মভূমি ও ইবির যোগসূত্র বিষয়টিকে ইঙ্গিত করা হয়েছে।গাছটিতে ৭ টি শেকড় আছে যার দ্বারা জামালপুরের ৭ টি উপজেলা এবং গাছে ৮ টি বই আছে, যার দ্বারা ইবির ৮ টি ফ্যাকাল্টিকে বুঝানো হয়েছে।পুরো গাছটিকে শেকড় থেকে শিখরে যাওয়ার প্রতিকীরূপে দেখানো হয়েছে। তার মাধ্যম হিসেবে গাছটির একপাশে আমাদের জন্মভূমির প্রতিকীস্বরুপ জামালপুরের মানচিত্র এবং অন্যপাশে ইবির মানচিত্র। শেকড় থেকে শিখরে পৌঁছানোর পুরো পথে আলো হয়ে সাথে থাকতে চাই সোয়াজইবি। যার প্রতীকীস্বরুপ বই থেকে আলোবিচ্ছুরনের একটি চিত্রায়ণের উপর আমাদের সংগঠনের নাম দেওয়া হয়েছে। সব কিছুর যথাযথ সমন্বয় হলে আমরা ইবি থেকে যে ফলাফল পাব, তার মানদন্ড সিজিপিএ -৪ কে প্রতীকীরুপে ৪ টা তারকা দিয়ে প্রকাশ করা হয়েছে এবং আল্টিমেট ফলাফল সার্টিফিকেট কে গ্রাজুয়েশন ক্যাপের মাধ্যমে প্রকাশ করে সেইটাকে চার তারকার মাঝে স্থান দেওয়া হয়েছে। শস্য-শ্যামলা বাংলাদেশকে বুঝাতে প্রতীকটিতে সবুজ রঙের ব্যবহার করা হয়েছে।প্রতীকটি ডিজাইন করেছেনঃ শাকিল শেখ সাধারণ সম্পাদক, সোয়াজইবি (২০২২-২৩)