Story-3
Story-3
“বিবেক”
Wr:Rakhin babu..
জীবনের গল্প অনেকটা অল্প, এরি মাঝে জীবনের কত নিঠূর সত্য-মিথ্যা খেলা। এই জীবনের খেলাই টিকে থাকা খুবই কষ্টের হয়। তবুও বেঁচে থাকা, কষ্টে-সুখে অথবা নিষ্ঠূর নিরোবতাই, অথবা চিরদিনের জন্য হারিয়ে যেতে হয় জীবনের শেষ নিশ্বাসের বেলাই।
“বিবেক” সর্বোদা সত্য ও সঠিক দিক নির্দেশ করে, বিবেক কখনো অন্যাই করতেই পারে না, পারেই না। তবে বিবেক মিথ্যা প্রদর্শন করে সত্য কে বের করতে জানে।
প্রতেক টা সৎ ব্যক্তিই মানুষ কিন্তু প্রতেকটা মানুষ মুনষত্বের অন্তঃভুক্ত নয়। মানুষ জন্ম গ্রহন করে কিন্তু মুনষত্ব প্রতেকটা মানুষ কে অর্জন করতে হয়। মুনষত্ব কখন জন্ম গ্রহন করে না।
চল এবার নিজেকে ভাবোনা ও চিন্তার জগতে নিয়ে যাই। নিচের অংশ গুলো পড়ার সময়, নিজেকে চিন্তা-ভাবোনার জগতে নিয়ে গিয়ে পড়বে, তাহলেই বুঝতে পারবে মানুষ ও মুনষত্বের মধ্যে পার্থক্য এবং মুনষত্ব ও বিবেকের মধ্যে সম্পর্ক।
এবার হারিয়ে যাও চিন্তা-ভাবোনার জগতে আর নিজেকে জিজ্ঞাসা কর, নিচের জীবনের সাথে।
জীব প্রজাতির একটা প্রজাতি হলো মানুষ, অন্যান্য জীব প্রজাতির মত মানুষ প্রজাতির ও বৃদ্ধি ঘটে জন্ম গ্রহনের মাধ্যমে, তথা, জন্ম গ্রহনের মাধ্যমেই মানুষের সৃষ্টি ও বৃদ্ধি ঘটে, তবে জন্ম গ্রহনের মাধ্যমে মুনষত্বের বৃদ্ধি ঘটে না।
মানুষ প্রজাতি ভুক্ত হলেই মানুষ হওয়া যায় না, মানুষ প্রকৃতির দ্বারা উত্তরাধিকার সূত্রে, পারিবারিক ধারায় বা একটি নির্দ্রিষ্ট গ্রামিন ধারায় বা একটি নির্দ্রিষ্ট জেলা বা দেশের ধারায় পরিচালিত হয়ে থাকে। তাইতো, বিভিন্ন পরিবারের মাধ্যে বিভিন্ন আচারন বিধি, আবার বিভিন্ন গ্রামের মধ্যে বিভিন্ন আচারন বিধি লক্ষ্য করা যায়।
আবার বিভিন্ন দেশের মধ্যে বিভিন্ন আচারন বিধি রয়েছে, যাই হক মানুষ বা স্বাধারন মানুষ উপরুক্ত নিয়ম নিতি দ্বারা বিবেহীন ভাবে, আবেগ দ্বারা পরিচালিত হয়ে থাকে।
প্রয়োজনের তাগিদে এই মানুষ অন্য মানুষের জীবন নিয়ে ছিনি-মিনি খেলে, নিজের ভালো লাগার জন্য অন্য মানুষ্কে বিপদে ফেলে। নিজে বড় তাই ছোটদের উপর অন্যায় ও বাজে ব্যবহার করে, বিপদে ফেলে, শুধু তাদের ভালো লাগে তাই।
আরও অনেক জঘন্য চাওয়া পাওয়া পূরন করে, প্রয়োজন শেষ হলে, নিজে যদি বিপদে পরার আসংক্ষা থাকে, তখন নিজের প্রয়োজনে অন্য মানুষ কে খুন করে ফেলে জানোযারের মত।
মানুষ সর্বোদা নিজের প্রয়োজন বুঝে, নিজের প্রয়োজনে, নিজে একজন মানুষ হয়ে অন্য আর একজন মানুষ কে মেরে ফেলতে দিধা বোধও করে না।
কিন্তু খুব দুঃখ জনক হলেও সত্য, এই মানুষের মধ্যো থেকেই মুনষত্বের সৃষ্টি হয়, যাকে বলা হয় বিবেক-বান, চিন্তাশীল, যে কখন কারো প্রতি অজ্ঞাত-বসত ছাড়া অন্যায় করে না, যে সর্বোদা নিজের জন্য ভাবে না, নিজের স্বার্থ ত্যাগ করে, অন্যের সঠিক অধিকার প্রদান করে।
বিবেক ও মানব আত্তা দুটি বিষয়, একটি দেহে “বিবেক” তুমি নিজে, তোমার সততা, আর মানুষ তুমি, বিবেহীন, আবেগময়, সিধান্তহীন একটি অগুছালো জীবন।
স্বাধারন মানুষ তার জীবনে অনেক সমস্যায় পরে এবং অন্যকেও অনেক সময় সমস্যায় ফেলে, জীবনের মর্ম কখনোই বুঝে না, অগুছালো, এলো-মেলো জীবন কাটায়।
আর বিবেকবান মানুষ সর্বোদা ক্ষুদ্রতম কাজ ও ভেবে চিন্তাকরে করে। কখন সহজে কোন কাজে হার মানে না, বিবেক দ্বারা নিজের সততাকে সর্বোদা অটুট রাখে, নিজের ভালো-লাগবে ভেবে অন্যকে বিপদে ফেলে না, কাহারো সাথে সহজে বাজে ব্যবহার করে না, নিজের চিন্তা-ভাবোনার দ্বারা জীবন্টাকে সুন্দর করে গুছিয়ে সুন্দর ভাবে জীবন কাঁটায়।
মানুষ অন্যের প্রতি তার ক্ষমতা, অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে নিজের অন্যায় মূলক কর্ম-কান্ড প্রদর্শন করতে থাকে, যাতে সবায় ভয় পেয়ে তার দাসত্ব করতে থাকে, কিন্তু বিবেকবান মানুষ, অন্য মানুষের প্রতি তার অন্তরের ভালোবাসা বাড়িয়ে দিয়ে থাকে।
কিসের ছোট কিসের বড়, কিসের এতো বিভেদ।
বিশ্বের সর্বোসৃষ্ট জঘন্য খারাপ ব্যাক্তিটাকে ভালোবাসার হাত বাড়িয়ে দেখ, সেও তোমারি মত, বিবেক অর্জন করতে হয়, বিবেক হল তুমি নিজে, তোমার সততা, সবকিছুকে পরিবর্তন করতে হয় বিবেক দ্বারা ভালো-বাসার হাত বাড়িয়ে, জোর করে পরিবর্তন, ঘৃনা ছাড়া কিছুই পাওয়া যায় না। বৈসম্য বিভেদ ভুলে যাও, বিবেকবান হও, বিবেক অর্জন কর, ভালোবাসাই হাত বাড়িও, চল আমরা সবায় মিলে আনন্দে জীবন কাঁটায় এ ধরাই।
@Eng.Rakhin babu.
------Finished----