জমজমাটি বিয়ের মরশুম চলছে। বিয়ের অনুষ্ঠানে বর-কনেও যেমন সুন্দর করে সাজেন, একইভাবে অন্যরাও কিন্তু কম যান না। আত্মীয় বা প্রিয় বন্ধুর বিয়ে হলে তো কথাই নেই। নতুন পোশাকে সেজে সবাইকে তাক লাগিয়ে দিতে চান। আত্মীয় বা প্রিয় বন্ধুর বিয়েতে সবাই সুন্দর সুন্দর শাড়ি বা অন্যান্য পোশাক পরতেই চান।
জামদানি বাঙালির ঘরে ঘরে অত্যন্ত প্রিয় হয়ে উঠেছে। প্রত্যেক মহিলার সংগ্রহেই আপনি এই জামদানির কালেকশন দেখতে পাবেন। এই শাড়ি বাংলার নিজস্ব। শিল্পী-কারিগরদের মুনশিয়ানায় অপরূপ এই শাড়ি তৈরি হয়। এতটাই পছন্দ সই যে, পাওলি দামকে কানের রেড কার্পেটে লাল-সাদা জামদানি শাড়িতে হাঁটতে দেখেছিলেন সবাই। কী অপূর্ব দেখাচ্ছিল পাওলিকে। সবাই আজও তাঁর সেই লুকের কথা মনে করেন।
বাঙালির অন্দরমহল নয়, পাশাপাশি বিখ্যাত ডিজাইনার হাউজেও কদর পেয়েছে এই শাড়ি। সব্যসাচী মুখোপাধ্যায়ের শাড়িতে একবার সেজেছিলেন কাজল।
সেই সাদা শাড়ি লাল পাড় জামদানিতে কাজলের সৌন্দর্য ছিল দেখার মতো। বিদেশের মাটিতে হেঁটেছিলেন তিনি। নিউ-ইয়র্কের একটি বিশেষ অনুষ্ঠানে তিনি জামদানি শাড়িটি পরেছিলেন।
বিয়ের অনুষ্ঠানে খুব স্বাভাবিকভাবেই জরির কারুকার্য করা জামদানি শাড়ি আপনি পরতে পারেন। কিন্তু এই শাড়ি পরার পরিবর্তে যদি একটু অন্যভাবে সাজা যায়? যেমন এই জামদানি শাড়ি থেকেই আপনি তৈরি করে নিতে পারেন জামদানি গাউন। অভিনেত্রী মনামী ঘোষকে একবার এই ধরনের জামদানি গাউনে সাজতে দেখা গিয়েছিল। বেলাশুরুর প্রিমিয়ারে এই জামদানি গাউন পরে এসেছিলেন মনামী।
এর জন্য পছন্দের জামদানি শাড়িটি দিয়ে ঘের দেওয়া প্লিটেড গাউন বানিয়ে নিতে পারেন। উপরের অংশ অন্য গ্লসি ফ্যাব্রিক দিয়ে বানান। মনোক্রম্যাটিক গাউন হলেই বেশি ভালো হয়। দেখতে বেশ লাগবে। আপনি বাড়িতে সেলাই মেশিনেও বানিয়ে নিতে পারেন। সঠিক মাপ নিতে হবে। নাহলে টেলারের থেকেও বানাতে পারেন।