বিদ্যালয়ের পরিচিতি-
বিদ্যালয়ের পরিচিতি-
বরিশাল বিভাগীয় শহরের স্কুল গুলোর মধ্যে মথুরানাথ পাবলিক স্কুল একটি অন্যতম স্কুল।ঐতিহ্যবাহী এ স্কুল প্রতিষ্ঠার প্রথম উদ্যোক্তা তদানীন্তন জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এ এস নূর মোহাম্মদ। তার প্রচেষ্টায় স্কুলটি বরিশাল পাবলিক স্কুল নামে বেলস পার্ক বর্তমান বঙ্গবন্ধু উদ্যান এলাকায় যাত্রা শুরু করে কিন্তু পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে স্কুলটি সুন্দরভাবে পরিচালিত হয়নি। পরবর্তী সময়ে বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও জেলা প্রশাসক জনাব এ এইচ এফ কে সাদিক ও মফিজুর রহমানের তত্ত্বাবধানে বর্তমান স্থানে স্থানান্তরিত হয় এবং সুন্দরভাবে পরিচালিত হতে থাকে তখন স্কুলের প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব ছিলেন ভাষা সৈনিক অধ্যক্ষ মোঃ হোসেন আলী শহরের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সোনালী সিনেমা হলের মালিক সুকুমার দাস তার পিতা স্বর্গীয় মথুরানাত দাস এর স্মৃতি রক্ষার্থে ২.৮৯ একর জমি স্কুলের অনুকূলে রেজিস্ট্রিকৃত তিনখানা দলিল দ্বারা অর্পণ করেন। এবং স্কুলের আসবাবপত্র সহ অবকাঠামো নির্মাণ করে দেন। তখন থেকে স্কুলের নামকরণ করা হয় মথুরনাথ পাবলিক স্কুল এবং প্রথমে প্রধান শিক্ষকের দ্বায়িত্ব পালন করেন ভাষা সৈনিক অধ্যক্ষ মোহাম্মদ হোসেন আলী।
বর্তমানে এ স্কুলের শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ৫০০ জন। স্কুলে পূর্ণকালীন শিক্ষক ১৪ জন এবং খন্ডকালীন শিক্ষক ৩ জন।ছাত্রজীবনকে শুধুমাত্র শ্রেণীকক্ষে সীমাবদ্ধ না রেখে তার সুকুমার মানসিক ও শারীরিক বিকাশের জন্য সংস্কৃতি চর্চা,বিচিত্রানুষ্ঠান, খেলাধুলার আয়োজন এ স্কুলে নিয়মিতভাবে হয়ে থাকে। বিদ্যালয়ের গ্রন্থাগারে রয়েছে প্রাচীন তত্ত্ব ও তথ্য সমৃদ্ধ পুস্তক এবং আধুনিক পুস্তকাবলি। অবসর সময় ও স্কুল ছুটির পর শিক্ষার্থীরা নিয়মিত পাঠাভ্যাস করে থাকে। এছাড়া স্কুলে গড়ে উঠেছে বয়স্কাউট, গার্ল গাইডস ছাত্র সংগঠন।আনন্দের বিষয় এই যে মথুরনাথ পাবলিক স্কুলের বয়স্কাউট, গার্ল গাইডস দল আর্তমানবতার সেবায় সহমর্মিতার হাত বাড়িয়ে দেয় মানব কল্যাণে এবং এ দলসমূহ সারা বংলার স্কুলসমূহের মধ্যে অগ্রগামী।জাতীয় ও আন্তঃবিভাগীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় আমাদের খেলোয়াড়বৃন্দ বিশেষ সাফল্যের সাথে অংশগ্রহণ করে আসছে। এছাড়া বিভিন্ন সাংস্কৃতিয় প্রতিযোগিতায়ও আমাদের শিক্ষার্থীরা অনের সুনাম কুড়িয়ে স্কুলের ঐতিহ্য সমুন্নত রেখেছে। জাতীয় শিশু-কিশোর প্রতিযোগিতা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলা, ডাচ-বাংলা ও প্রথম আলো গণিত উৎসব সব ক্ষেত্রেই রয়েছে দৃপ্ত পদচারণা। এটাই আমাদের প্রত্যাশা।
প্রতিষ্ঠানের নামকরন করা হয় তার নামে
জন্ম-১০ ডিসেম্বর-১৯১৫ এবং মৃত্যু-২১ডিসেম্বর-১৯৮৯
প্রতিষ্ঠাতা
ভাষা সৈনিক অধ্যক্ষ হোসেন আলী
মৃত্যু-২৬ এপ্রিল-২০০৫
প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষক