Chapter 4 short Questions and answer
READ ALL QUESITONS
READ ALL QUESITONS
১. জৈব ধাতব যৌগ কাকে বলে?
যেসব যৌগে ধাতুর সাথে সরাসরি কার্বন-ধাতু বন্ধন থাকে, তাদের জৈব ধাতব যৌগ বলে।
২. ধাতু অলিফিন যৌগ কি?
যেসব জৈব ধাতব যৌগে ধাতুর সাথে অলিফিন (ডাবল বন্ধনবিশিষ্ট হাইড্রোকার্বন) যুক্ত থাকে, তাদের ধাতু অলিফিন যৌগ বলে।
৩. জৈব সোডিয়াম যৌগ কী?
যেসব যৌগে সোডিয়াম ধাতুর সাথে সরাসরি কার্বনের বন্ধন থাকে, তা জৈব সোডিয়াম যৌগ।
৪. ইলেকট্রোন অপর্যাপ্ত জৈব ধাতব যৌগ কাকে বলে?
যেসব জৈব ধাতব যৌগে ধাতুর চারপাশে ৮টি ইলেকট্রনের কম থাকে, তাদের ইলেকট্রোন অপর্যাপ্ত জৈব ধাতব যৌগ বলে।
৫. ডাই ইনোফাইল কী?
ডাই অ্যালডার বিক্রিয়ায় ইনোফাইল হিসেবে কাজ করে এমন যৌগকে ডাই ইনোফাইল বলে, যা সাধারণত ইলেকট্রন-স্বল্প যৌগ।
৬. ধাতু অলিফিন যৌগ কি?
এটি সেই যৌগ যেখানে ধাতু ও অলিফিন একত্রে জটিল গঠন তৈরি করে; ধাতু অলিফিন যৌগ আবারও একই প্রশ্ন।
৭. জিগলার-ন্যাটা প্রভাবক কী?
জিগলার-ন্যাটা প্রভাবক হলো টাইটানিয়াম ও অ্যালুমিনিয়াম যৌগের মিশ্রণ যা অলিফিনের পলিমারায়জেশনে ব্যবহৃত হয়।
৮. অবস্থান্তর যৌগসমূহের জৈব ধাতব যৌগ কী?
যেসব জৈব ধাতব যৌগে ধাতু হিসেবে অবস্থান্তর ধাতু থাকে, তাদের অবস্থান্তর জৈব ধাতব যৌগ বলে।
৯. প্রভাবক হিসেবে জৈব ধাতব যৌগের উদাহরণ দাও।
টেট্রাকার্বোনাইল নিকেল, ফারোসিন, ট্রাইফেনিলফসফিন-প্যালাডিয়াম ইত্যাদি প্রভাবক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
১০. রিফরমেটস্কি বিক্রিয়া কী?
এটি একটি বিক্রিয়া যেখানে আলফা-হ্যালো ইস্টার জিঙ্কের সাথে বিক্রিয়া করে কার্বোনাইল যৌগের সাথে যুক্ত হয়ে বিটা-হাইড্রক্সি ইস্টার তৈরি করে।
SHORT AND BROAD QUESTIONS : CHAPTER 4: ORGANO METALIC COMPOUNDS : MASTERS CHEMISTRY- EXCLUSIVE NOTE
বাজরের সো কলড নোট বা ভুল নোট পড়ে জীবন নষ্ট করবেন না । অধিকাংশ নোট গুলোতে প্রশ্ন ও উত্তর মিল নেই
1.জৈব ধাতব যৌগ সমুহের সাধারণ প্রস্তুুতি বর্ণণা কর
জৈব ধাতব যৌগ প্রস্তুত করার জন্য নিচের পদ্ধতিগুলো সাধারণত ব্যবহৃত হয়:
এটি সবচেয়ে প্রচলিত পদ্ধতি। এখানে অ্যালকিল বা অ্যারিল হ্যালাইডকে ধাতুর (যেমনঃ Li, Mg, Na, Zn) সাথে বিক্রিয়া করিয়ে জৈব ধাতব যৌগ প্রস্তুত করা হয়।
2.জৈব ধাতব যৌগের বৈশিষ্ট্য
জৈব ধাতব যৌগ (Organometallic Compounds) হচ্ছে এমন যৌগ যেখানে ধাতু (Metal) ও কার্বনের মধ্যে সরাসরি বন্ধন (M–C bond) বিদ্যমান। এদের ভৌত ও রাসায়নিক বৈশিষ্ট্য ধাতু ও জৈব অংশের সংমিশ্রণে নির্ধারিত হয়। নিচে এদের বৈশিষ্ট্যগুলো রসায়নের দৃষ্টিতে ব্যাখ্যা করা হলো:
১. M–C বন্ধনের প্রকৃতি
জৈব ধাতব যৌগে ধাতু ও কার্বনের মধ্যে আংশিক কোভ্যালেন্ট ও আয়নিক প্রকৃতির বন্ধন থাকতে পারে।
বন্ধনের ধরণ ধাতুর ইলেকট্রোননেগেটিভিটি ও অরবিটাল অবস্থা অনুযায়ী পরিবর্তিত হয়।
২. ইলেকট্রন কনফিগারেশন ও ইলেকট্রন ঘাটতি/অতিরিক্ততা
অনেক জৈব ধাতব যৌগ ইলেকট্রন অপর্যাপ্ত (electron-deficient) হয়, যেমন: BH₃, Al(CH₃)₃।
আবার কিছু জটিল যৌগ ইলেকট্রন সমৃদ্ধ হয়ে ব্যাক-বন্ডিং (π-back bonding) প্রদর্শন করে, যেমন: Ni(CO)₄, Fe(CO)₅।
৩. বায়ুর সংস্পর্শে সংবেদনশীলতা
অধিকাংশ জৈব ধাতব যৌগ অত্যন্ত বায়ু ও আর্দ্রতা সংবেদনশীল।
উদাহরণস্বরূপ, গ্রিনিয়ার্ড বিকারক (RMgX), অর্গানো-লিথিয়াম যৌগ (RLi) বায়ুর অক্সিজেন ও পানির সাথে বিক্রিয়া করে দ্রুত নিষ্ক্রিয় হয়।
৪. জ্বালনশক্তি ও বিক্রিয়াশীলতা
এই যৌগগুলি শক্তিশালী নিউক্লিওফাইল বা ইলেকট্রোফাইল হিসেবে কাজ করতে পারে।
অধিকাংশ জৈব ধাতব যৌগ পাইরোফোরিক (pyrophoric) অর্থাৎ বাতাসে স্বতঃস্ফূর্তভাবে দহনশীল।
৫. জৈব বিক্রিয়ায় প্রভাবক (Catalyst) হিসেবে ব্যবহার
অনেক জৈব ধাতব যৌগ হোমোজিনিয়াস ক্যাটালাইসিসে ব্যবহৃত হয়, যেমন:
Wilkinson’s catalyst: RhCl(PPh₃)₃
Ziegler-Natta catalyst: TiCl₄ + AlEt₃
৬. পলিমার গঠনে ভূমিকা
কিছু জৈব ধাতব যৌগ পলিমার তৈরি করতে সক্ষম, বিশেষ করে জিগলার-ন্যাটা প্রভাবক ব্যবহার করে পলিএথিন ও পলিপ্রোপাইলিন উৎপাদনে।
৭. লিগ্যান্ড জটিলতা (Ligand Complexity)
জৈব ধাতব যৌগে লিগ্যান্ড যেমন CO, PR₃, বা সাইক্লোপেন্টাডিনিল গ্রুপ (Cp) যুক্ত হতে পারে, যা জটিল স্ট্রাকচার তৈরি করে।
৮. ক্রিস্টাল গঠন ও বৈশিষ্ট্য
অনেক জৈব ধাতব যৌগ সলিড স্টেটে ক্রিস্টালাইন হয়, এবং X-ray diffraction দ্বারা এদের গঠন নির্ধারণ সম্ভব।
৯. রাসায়নিক বিক্রিয়ার ধরণ
জৈব ধাতব যৌগ বিভিন্ন ধরণের বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে:
অক্সিডেটিভ অ্যাডিশন
রিডাকটিভ এলিমিনেশন
ইনসারশন ও এলিমিনেশন রিয়াকশন
মাইগ্রেটরি ইনসারশন ইত্যাদি
১০. ভৌত বৈশিষ্ট্য
অনেক জৈব ধাতব যৌগ তরল বা নিম্ন-গলনাঙ্কযুক্ত কঠিন পদার্থ।
অধিকাংশই অবর্ণহীন বা হালকা রঙের, তবে ট্রানজিশন ধাতুর যৌগ রঙিন হয়ে থাকে (d-d transition এর জন্য)।
3.ক্ষার ধাতুর জৈব ধাতব যৌগ সমুহের বন্ধনের প্রকৃতি আলোচনা কর
ক্ষার ধাতুসমূহ যেমন লিথিয়াম (Li), সোডিয়াম (Na), পটাসিয়াম (K) ইত্যাদির সঙ্গে সরাসরি কার্বনের বন্ধনযুক্ত জৈব যৌগগুলোকে ক্ষার ধাতুর জৈব ধাতব যৌগ (Organoalkali Metal Compounds) বলা হয়। এই যৌগসমূহের বন্ধনের প্রকৃতি মূলত আয়নিক এবং কোভ্যালেন্টের মধ্যবর্তী হয়, এবং ধাতুটির আকার ও ইলেকট্রো-পজিটিভিটির উপর নির্ভর করে।
🔬 বন্ধনের প্রকৃতি:
১. আংশিক আয়নিক প্রকৃতি (Partially Ionic Bonding):
ক্ষার ধাতুগুলি খুবই ইলেকট্রো-পজিটিভ। তাই তারা তাদের একটি ইলেকট্রন ত্যাগ করে কার্বনের সাথে যুক্ত হয়। এর ফলে কার্বনে নেতিবাচক আংশিক চার্জ (carbanion-like character) তৈরি হয়।
3.গ্রিগনার্ড বিক্রিয়া কি? বিক্রিয়াগুলো আলোচনা কর (১৪/১৬/১৭)
গ্রিগনার্ড বিক্রিয়া (Grignard Reaction) কী?
গ্রিগনার্ড বিক্রিয়া হল এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ জৈব বিক্রিয়া যেখানে গ্রিগনার্ড বিকারক (RMgX) ব্যবহৃত হয়। এটি একটি শক্তিশালী নিউক্লিওফিলিক রিএজেন্ট, যা কার্বন-ধাতু বন্ধন (C–Mg) সম্বলিত। গ্রিগনার্ড বিকারক সাধারণত হ্যালোজেনযুক্ত অ্যালকেনকে শুকনো ইথারে ম্যাগনেশিয়ামের সঙ্গে বিক্রিয়া করিয়ে প্রস্তুত করা হয়।
DAY 3
4.গ্রিগনার্ড বিকারকের বৈশিষ্ট্য লিখ
গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য:
শুধুমাত্র শুকনো পরিবেশে কাজ করে (Dry ether বা THF ব্যবহৃত হয়)।
পানি, অ্যাসিড বা অ্যালকোহল থাকলে বিকারক নিষ্ক্রিয় হয়।
গ্রিগনার্ড বিকারক হলো শক্তিশালী নিউক্লিওফিল ও বেস।
(NOTE : THF= Tetrahydrofuran. Chemical Information:
Chemical formula: C₄H₈O
Structure: A five-membered ring containing four carbon atoms and one oxygen atom)
5.গ্রিগনার্ড বিকারকের গঠনের প্রক্রিয়া ও বিক্রিয়ার ক্রিয়াবিধি (Mechanism of Grignard Reagent Formation & Reaction)
গ্রিগনার্ড বিকারক (R–MgX) প্রস্তুতির সময়, একটি ফ্রি র্যাডিকাল (Free Radical) ভিত্তিক Single Electron Transfer (SET) প্রক্রিয়া কাজ করে। এই প্রক্রিয়া মূলত ধাতব ম্যাগনেশিয়ামের পৃষ্ঠে সংঘটিত হয় এবং অ্যালকাইল বা অ্যারাইল হ্যালাইডের সাথে বিক্রিয়া করে র্যাডিকাল মধ্যবর্তী পদার্থ তৈরি করে।
6.জৈব লিথিয়াম যৌগ ইথারীয় দ্রবণে সংরক্ষণ করা হয় না কেন?
উত্তর (Expert Mode):
জৈব লিথিয়াম যৌগ (যেমন: RLi) খুবই প্রতিক্রিয়াশীল (highly reactive) এবং ইথারীয় দ্রবণে সংরক্ষণ করা উপযুক্ত নয়, কারণ:
১. ইথারের সাথে বিক্রিয়া করে:
জৈব লিথিয়াম যৌগ একটি শক্তিশালী নিউক্লিওফিল ও বেস। এটি ইথারের α-কার্বন হাইড্রোজেন (যা অপেক্ষাকৃত অ্যাসিডিক) এর সাথে বিক্রিয়া করে C–O বন্ধন ভেঙে দিতে পারে।
২. ইথার অক্সিডেশনে সহায়তা করে:
RLi বাতাসে অক্সিজেনের উপস্থিতিতে ইথারকে অক্সিডাইজ করে পারক্সাইড (peroxide) উৎপন্ন করতে পারে, যা বিস্ফোরক ও বিপজ্জনক।
অর্গানোমেটালিক বিকারক হলো এমন যৌগ যা ধাতুর (metal) সঙ্গে সরাসরি কার্বন-ধাতু বন্ধন (M–C bond) যুক্ত থাকে। এদের সাধারণত জৈব সংশ্লেষণ ও প্রতিক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকে।
উদাহরণ ও সংকেতঃ
(ক) গ্রিনিয়ার্ড বিকারক (Grignard reagent):
সংকেত: RMgX
যেখানে R = অ্যালকাইল বা অ্যারাইল গ্রুপ, এবং X = হ্যালোজেন (Cl, Br, I)
উদাহরণ: CH₃MgBr (মিথাইলম্যাগনেসিয়াম ব্রোমাইড)
(খ) অর্গানোলিথিয়াম যৌগ:
সংকেত: RLi
উদাহরণ: C₂H₅Li (ইথাইললিথিয়াম)
(গ) অর্গানোজিঙ্ক যৌগ:
সংকেত: R₂Zn
উদাহরণ: (CH₃)₂Zn (ডাইমিথাইলজিঙ্ক)
(ঘ) ফেরোকেন (Ferrocene):
সংকেত: Fe(C₅H₅)₂
এটি একটি স্যান্ডউইচ-জাতীয় অর্গানোমেটালিক যৌগ
DAY 4 : MASTERS ORGANIC CHEMISTRY : CHAPTER 04
9. জৈব টিন যৌগের প্রস্তুুতি ও বিক্রিয়া লিথ
10. জৈব সংশ্লেষনে জৈব অ্যালুমিনিয়াম যৌগের প্রয়োগ লিখ
11.জৈব বোরেন যৌগের প্রয়োগ আলোচনা কর (06/15)
জৈব বোরেন যৌগ হলো এমন যৌগ যেখানে কার্বন ও বোরন পরমাণুর মধ্যে সরাসরি একটি বন্ধন থাকে। এদের প্রধানত জৈব সংশ্লেষণ ও মেডিকেল কেমিস্ট্রিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রয়োগ রয়েছে।
এই কারণে মিথাইল বোরনিক অ্যাসিডের বিশুদ্ধকরণ কঠিন এবং প্রায়শই এটি ডেরিভেটিভ বা প্রোটেক্টেড ফর্মে সংরক্ষণ ও ব্যবহার করা হয়।