চতুর্থ শ্রেণীর এডভান্স এডুকেশন বলতে সাধারণত প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের জন্য এমন শিক্ষা পদ্ধতি বোঝানো হয়, যা তাদের মেধা, কৌতূহল এবং সৃজনশীলতাকে আরো বিকশিত করে। এটি নিয়মিত শিক্ষার পাশাপাশি অতিরিক্ত জ্ঞান এবং দক্ষতা অর্জনের উপর জোর দেয়।
এডভান্স এডুকেশনের মূল উদ্দেশ্য
মেধা বিকাশ: শিক্ষার্থীদের চিন্তা করার ক্ষমতা এবং সমস্যা সমাধানের দক্ষতা বাড়ানো।
সৃজনশীলতা উন্নয়ন: ছবি আঁকা, গল্প লেখা, প্রকল্প তৈরির মতো সৃজনশীল কাজে অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া।
আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার: কম্পিউটার, ট্যাবলেট এবং ইন্টারনেট ব্যবহার করে শিক্ষাকে আরো আকর্ষণীয় করা।
গবেষণামূলক শিক্ষা: শিশুদের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে গবেষণা ও আবিষ্কারে উৎসাহিত করা।
ভাষাগত দক্ষতা: বাংলা এবং ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা বাড়ানো।
ব্যক্তিত্ব গঠন: আত্মবিশ্বাস, নেতৃত্বের গুণাবলী এবং সামাজিক আচরণ শেখানো।
এডভান্স এডুকেশনে অন্তর্ভুক্ত বিষয়
বিষয়ভিত্তিক শিক্ষা
বিজ্ঞান: সহজ বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা এবং প্রকৃতির প্রতি কৌতূহল বাড়ানো।
গণিত: মজার মজার সমস্যা সমাধান ও দ্রুত গাণিতিক কৌশল শেখানো।
ভাষা: নতুন শব্দভাণ্ডার, পাঠ্য বইয়ের বাইরের গল্প এবং কবিতা শেখা।
প্রজেক্ট ভিত্তিক শিক্ষা
শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ছোট প্রজেক্ট তৈরি করতে পারে, যেমন—গাছপালা, প্রাণী, বা জলবায়ু নিয়ে কাজ করা।ডিজিটাল লার্নিং
ই-লার্নিং প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করা।
মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুমে পাঠদান।
সহশিক্ষা কার্যক্রম
চিত্রাঙ্কন, সংগীত, নাচ, খেলাধুলা ইত্যাদি।
আবৃত্তি এবং বিতর্ক প্রতিযোগিতা।
অভিভাবকদের ভূমিকা
শিশুদের শেখার প্রতি আগ্রহ বাড়ানোর জন্য বাড়িতে উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করা।
নিয়মিত পড়াশোনার পাশাপাশি শিক্ষামূলক খেলায় অংশগ্রহণে উৎসাহিত করা।
উপকরণ ও রিসোর্স
চতুর্থ শ্রেণীর পাঠ্যবই ছাড়াও শিশুদের জন্য উপযুক্ত গল্পের বই, বিজ্ঞানের সহজ ব্যাখ্যাসহ বই, এবং ইন্টারনেটের শিক্ষামূলক ওয়েবসাইট ব্যবহার করা যেতে পারে।