Rajib and Rudra open the seventh season of the podcast, and explain their intention of continuing to stretch its footprint further into the vast continent of Bengali literature. Episode 552 of Season Seven.
রাজীবঃ নমস্কার শ্রোতাবন্ধুরা, গল্পকথার আসরের আজকের অনুষ্ঠানে যোগদান করার জন্য আপনাদের সবাইকে অশেষ ধন্যবাদ । আমি রাজীব ঘোষ ।
রুদ্রঃ আমি রুদ্র দত্ত ।
রাজীবঃ ফিরে এলাম আমাদের পডকাস্টের সপ্তম সীজন নিয়ে, আর সঙ্গে করে নতুন বছরের শুভেচ্ছা, আপনাদের সকলের জন্য ।
রুদ্রঃ শ্রোতাবন্ধুরা লক্ষ করবেন, এবার আমাদের নতুন বছরে ফিরে আসা অন্যান্য বছরের তুলনায় একটু আগে আগে । সাধারণতঃ জানুয়ারী শেষ হতে চলে, বা একেবারেই শেষ হয়ে যায়, আমরা ফিরে আসার আগে ।
রাজীবঃ এবার এত তড়িঘড়ি করে ফেরার কারণ কি ? মানে আমাদের কারুরই তো সময়ের টানাটানি কিছু কমছে না, বরং বাড়ছে হয়তো ! তাহলে সাধ করে কেন এই আগে আগে চলা ?
রুদ্রঃ তার একাধিক কারণ আছে । একটি কারণ নিশ্চয়ই এই, যে এই জানুয়ারীরই মাঝামাঝি মহাশ্বেতা দেবীর শততম জন্মবার্ষিকী, যার কথা আমরা আপনাদের কাছে ষষ্ঠ সীজনের শেষে - মানে "ষষ্ঠী-র সমাপন"-এ, উল্লেখ করেছিলাম । তখন প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম যে এই জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে আমরা বছরের গোড়ার দিকেই আপনাদের কাছে ফের হাজির হবো, মহাশ্বেতা দেবী-র সর্বশ্রেষ্ঠ একটি উপন্যাসের পাঠ নিয়ে ।
রাজীবঃ জগৎ জুড়ে হাতি লোফালুফির অবশ্য কোনো সমাপন এই স্বল্প সময়র মধ্যে হয়নি - বরং সারা পৃথিবীর দিকে তাকিয়ে দেখলে মনে হয়, বেড়েছে ।
রুদ্রঃ তবে আমরা তো আমাদের প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতেই চাই, তাই ফিরে এলাম এই সপ্তাহান্তে । পরের সপ্তাহান্তে প্রকাশিত হবে শ্রুতিপুস্তক, "হাজার চুরাশি-র মা" ।
রাজীবঃ কিন্তু শুধু এই কারণেই আমাদের আগেভাগে ফেরা নয় । - শ্রোতাবন্ধুরা, আপনারা বেশীরভাগই আমাদের সঙ্গে সাধারণতঃ সরাসরি যোগাযোগ করেন না, যদিও আমরা বিশ্বাস রাখি যে আমাদের এই পডকাস্টের ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা আপনার অনেকেই শুনছেন, শুনে খুশী হচ্ছেন, তাতে কোনোরকমের মূল্য বা সার্থকতা খুঁজে পাচ্ছেন । গুগলের মতানুযায়ী, আমাদের এই ছোট্ট পডকাস্ট এখন বাংলায় গল্পপাঠের পডকাস্টগুলির মধ্যে জনপ্রিয়তায় তৃতীয় স্থান অধিকার করে আছে । তাই না, রুদ্র ?
রুদ্রঃ সেইরকমই তো আমরা জানতে পেরেছি । মাঝে মাঝে আপনার কেউ কেউ আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে মন্তব্য বা প্রশংসা রাখেন, তাতেও আমাদের খুবই ভালো লাগে - যদিও বেশিরভাগ শ্রোতাবন্ধুর পক্ষে বেশীরভাগ সময়ে সেই সময়টুকু নেওয়া সম্ভব হয় না, তা বুঝতে পারি । শ্রোতাবন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগব্যবস্থা উন্নতি করা নিয়ে একটু পরে বলছি । কিন্তু তার আগে জানিয়ে রাখি, কিছু কিছু বিশেষ শ্রোতাবন্ধুদের সঙ্গে আমাদের সরাসরি যোগাযোগ আছে, তাঁদের সঙ্গে এই পডকাস্ট নিয়ে আলোচনা করার সৌভাগ্য মাঝেমাঝে হয় - তাতে যা বুঝতে পারি, তা সমস্ত শ্রোতাবন্ধুদের মনোভাবের পরিচায়ক বলেই ধরে নিই ।
রাজীবঃ এইরকম আলাপচারিতার থেকেই জানতে পেরেছি, যে আমদের একটি সীজন থেকে আর একটি সীজনের মধ্যে প্রায় দেড় মাস, বা কখনো সখনো তারও বেশী ব্যবধান, আপনাদের অনেকের ভালো লাগেনি । আমরা কিছু শ্রুতিপুস্তক এই বিরতির জন্য প্রতিবারই রেখে যাবার চেষ্টা করি বটে, কিন্তু তা সপ্তাহে সপ্তাহে এপিসোড প্রকাশ করার বিকল্প ঠিক হয়না ।
রুদ্রঃ সেই কারণেই আমরা এবার আরেকটু আগে ফেরা মনস্থ করেছিলাম । - শ্রোতাবন্ধুরা, আপনাদের যে কোনো মন্তব্য বা অনুরোধ আমাদের কাছে মূল্যবান - আপনারা যে আপনাদের ব্যস্ত জীবনের মধ্যে আমাদের, আমাদের এই পডকাস্টের সম্বন্ধে এতটুকুও ভাবছেন, তা আমাদের উৎসাহিত করে, উদ্বুদ্ধ করে । আমরা পারলে সেই সব অনুরোধ, তার পেছনের চিন্তাগুলিকে, রক্ষা করতে চাই । যেমন আর একটি মন্তব্য আমরা পেয়েছি আমাদের এপিসোডগুলির দৈর্ঘ্য সম্পর্কে ।
রাজীবঃ এক-একটি গল্প পাঠ করতে কতক্ষণ লাগবে, তা অবশ্যই সেই গল্পের দৈর্ঘ্যের উপর নির্ভর করে - তা আমাদের হাতে নেই । কিন্তু যখন আমরা কোনো শ্রুতিপুস্তক পাঠ করি, তখন কটি এপিসোডে সম্পূর্ণ পুস্তকটি ভাগ করবো, তা কিছুটা আমাদের হাতে থাকে । সেই এক-একটি ভাগ এক কি সোয়া-এক ঘণ্টা, বা এমনকি দেড় ঘণ্টাও আমরা করেছি এর আগে ।
রুদ্রঃ বিশিষ্ট শ্রোতাবন্ধুদের কাছ থেকে জানতে পারি, ওই এপিসোডগুলি আর একটু ছোটো হলে হয়তো ভালো হয় । আপনারা আপনাদের মতামত আমাদের জানিয়েছেন বলে আমরা কৃতজ্ঞ । এর পর থেকে আমাদের চেষ্টা থাকবে ওইরকম এপিসোডগুলি আর একটু স্বল্পদৈর্ঘ্যের করার । - সাত নম্বর সীজন আরম্ভ করার আগে আর কি বলা উচিত, রাজীব ?
রাজীবঃ দুটো কথা বলে নেওয়া বোধহয় ভালোই হবে । প্রথমতঃ, সাত সংখ্যাটির সঙ্গে আমাদের সংস্কৃতির বিভিন্ন শুভ ব্যঞ্জনা জড়িয়ে আছে । রামধনুর সাতটি রং, তথা সূর্যের সপ্তাশ্বচালিত রথ; সপ্তপদী গমন; সপ্তসিন্ধু; সংগীতের সাত সুর; সপ্তকান্ড রামায়ণ - এসব তো আছেই । তাছাড়া পৃথিবীতে সাতটি মহাদেশ আর সাতটি মহাসমুদ্র থাকার ফলে সাত সংখ্যাটির সঙ্গে একটা সম্পূর্ণতা, সর্বময়তার ভাব জড়িয়ে থাকে ।
রুদ্রঃ হয়তো সেই জন্যই "সাতকাহন" কথাটি চালু আছে । প্রাচীন অর্থে অনেকগুলি কড়ির মূল্য এক করলে এক "কাহন" হয় - সাত কাহন মানে তো তাহলে আরো অনেক । তাই সাতকাহন বলতে সাধারণতঃ সংখ্যাতীত বোঝানো হয় - অর্থাৎ কিছুই প্রায় বাদ দেওয়া হয়নি, এইরকম একটা ওই সম্পূর্ণতারই ব্যঞ্জনা ।
রাজীবঃ আমাদের সপ্তম সীজনের সূচনার এপিসোডের নাম "সাতকাহন" দিয়ে আমরা অবশ্য এরকম বলার চেষ্টা করছি না যে আমরা অসংখ্য গল্প পাঠ করে ফেলেছি । ঠিক তার উল্টো - যদিও আমাদের সাড়ে পাঁচশোর বেশী এপিসোডে আমরা মোট সাতান্ন জন বাংলা সাহিত্যিকদের সৃষ্টি আপনাদের কাছে উপস্থিত করেছি, আমরা খুবই সচেতন যে আরো অনেক কৃতী সাহিত্যিক বাকি আছেন যাঁদের মনে করা, মনে রাখা আমাদের কর্তব্য । এই সপ্তম সীজনে আমরা আমাদের সেই ব্রত পালন করে যাবো ।
রুদ্রঃ অন্যান্য ভাষার সাহিত্যের মতোই, বাংলা সাহিত্যে বিভিন্ন সময়ে, বিভিন্ন যুগ এবং সমাজের সঙ্গে তাল রেখে, বিভিন্ন রসের এবং বিভিন্ন চেতনার অবতারণা ঘটেছে বিভিন্ন সাহিত্যস্রষ্টার হাতে । কোনো একটি যুগ বা কোনো একটি গল্পের ধাঁচ, তা আমাদের যতই প্রিয় হোক না কেন, বাংলা সাহিত্যের ব্যপ্তিকে ধরতে পারে না - যেমন যে কোনো একটি রঙ - কচি কলাপাতার সবুজ, বা গোধূলীর সোনালী - তা সে যত সুন্দরই হোক না কেন, সূর্যের সপ্তরশ্মির পূর্ণ জ্যোতিকে ধরতে পারে না ।
রাজীবঃ আমরা যে যখন ছোটো ছিলাম, বা যে যখন নিজেদের যৌবনে ছিলাম, সেই সময়কার গল্প-উপন্যাসের প্রতি আমাদের বিশেষ পক্ষপাতিত্ব থাকা স্বাভাবিক । কিন্তু নিজেদের গণ্ডী ছোটো করে আনলে, প্রিয় কাহিনীর বাইরে অন্য সময়ের অন্য সাহিত্যের চর্চাকে সম্পূর্ণ ত্যাগ করলে, আমাদের উত্তরাধিকার, আমাদের মাতৃভাষা ও সংস্কৃতি, আমরা হারিয়ে ফেলবো ।
রুদ্রঃ এই কথা আজকের যুগের পক্ষেও প্রযোজ্য । আজকের সাহিত্যিকেরা আজকের যুগের প্রয়োজনে, আর আজকের সমাজের গ্রহণযোগ্যতায়, একধরণের সাহিত্য সৃষ্টি করছেন । অন্য ধরণের সাহিত্য রচনা করলে তা হয়তো আজ খুব বেশী জনপ্রিয়তা পাবে না । কিন্তু তার মানে এই নয়, যে আগের-আগের যুগের সাহিত্য এখন অচল, বা অপ্রাসঙ্গিক ।
রাজীবঃ আসলে সেই পুরনো সৃষ্টিগুলির কাঁধের উপরেই দাঁড়িয়ে আছে আমাদের আজকের চেতনা, মনন, সাহিত্য । সেইসব কাহিনীর মধ্যে শুধু আমাদের ঐতিহাসিক দিনলিপিই গাঁথা নেই, তার মধ্যে অনেকগুলির তাৎপর্যই কালজয়ী, তাদের অন্তর্দৃষ্টি ও শিক্ষা আমাদের আজকের অতিপ্রয়োজনীয় পাথেয় ।
রুদ্রঃ তাই বাংলা সাহিত্যের ভান্ডারের যে সব মণিমুক্তোগুলির প্রতি আমরা এখনো মনোনিবেশ করতে পারিনি, আগের-আগের সীজনের মতো এইবারেও সেই চেষ্টা চালিয়ে যাবো জোর কদমে - সাতকাহন পূর্ণ করার আশায় । সব শ্রোতাবন্ধুদের হয়তো তার সবকটি একইরকম প্রিয় হবে না, কিন্তু তাও এই বহুতা এবং বৈচিত্র্যের কথা মনে রেখে সঙ্গে থাকবেন, এই আশা রাখি । - এই প্রসঙ্গে আর একটি কথা মনে পড়ছে, স্ট্যাচু অব লিবার্টির সম্বন্ধে তুই একটা কথা বলেছিলি, তাই না, রাজীব ?
রাজীবঃ হ্যাঁ - এখানেও সাতের সর্বময়তার একটা ব্যাপার ল্ক্ষণীয় । আমরা দুজনেই কর্মসূত্রে থাকি মার্কিন মুলুকে, আর সেই দেশের বর্তমান আচরণ যেমনই হোক না কেন, বহু দশক ধরে এই দেশ সারা পৃথিবীর থেকে আগন্তুকদের সাদরে বরণ করে নিয়েছে - যে আহ্বান লেখা আছে আমেরিকার প্রবেশদ্বারে, স্ট্যাচু অব লিবার্টির পদতলে - যিনি Mother of Exiles - বিতাড়িতদের মাতৃস্বরূপা - যিনি বলছেন -
"Give me your tired, your poor,
Your huddled masses yearning to breathe free,
The wretched refuse of your teeming shore."
রুদ্রঃ আজ সেই মাতৃমূর্তির স্বর্ণদ্বার রুদ্ধ করার প্রচেষ্টা চলেছে । কিন্তু আমরা বিশ্বাস রাখি, আমেরিকার - এবং সারা বিশ্বের - এই মহৎ বিশ্বমনস্কতা অদূর ভবিষ্যতে আবার ফিরে আসবে ।
রাজীবঃ সেই লিবার্টির মাথায় যে মুকুট, তাতে সাতটি শিখর আছে । অনেকের মতে, সেই শিখরগুলি সাত মহাদেশ থেকে প্রবাহিত হয়ে আসা সমগ্র মানবজাতির জ্ঞান ও চেতনার প্রতীক । এখানেও সেই কোনো এক ধরণের মানুষ, ধর্ম, চেতনা, বা মতামতের প্রতি বিশেষ অনুরক্ত না হয়ে পড়ে বৈচিত্র্য এবং সমাবেশের প্রতি আনুগত্যের কথা ।
রুদ্রঃ সব মিলিয়ে, আমাদের সপ্তম সীজনে পড়তে পেরে, আমরা খুব খুশী । আসলে একটা কথা আছে, যে কোনো বিবাহ, বা কোনো কাহিনী পরম্পরা, যদি সাত পেরোতে পারে, তাহলে তা টিঁকে গেছে ধরে নেওয়া যেতে পারে ।
রাজীবঃ একটি ইংরেজী নাটকের কথা মনে পড়ে যাচ্ছে, The Seven Year Itch, যা থেকে পরে একটি চলচ্চিত্রও তৈরী হয়েছিলো ।
রুদ্রঃ আর রাজশেখর বসুর লেখা থেকে জানতে পারি. জীবনের সাতাত্তর বছর সাত মাস সাত দিনের রাত্রি অতি দুস্তরা রাত্রি, যিনি তা অতিক্রম করতে পারেন, তাঁকে ভীমরথী বলে । - ওই থেকেই ভীমরতি কথাটা এসেছে, যদিও মানে উল্টে গেছে ।
রাজীবঃ যাইহোক, আমাদের পডকাস্টের বয়স সবে পাঁচ পেরোলো, কাজেই আমাদের বা আমাদের পডকাস্টের ভীমরতি ধরেনি এইটুকু আশা রাখতে পারি । আর হাতে কাজ আছে অনেক, সে তো আগেই বললাম । কাজেই আমাদের পডকাস্ট আপাততঃ চালিয়ে যেতে কোনো দ্বিধা নেই । - শ্রোতাবন্ধুরা, তার মানে এই নয়, যে আমরা অনির্দিষ্টকাল ধরে এই পডকাস্ট চালিয়ে যাওয়ার তালে আছি ।
রুদ্রঃ থামতে তো হবেই কোনো সময়ে, এবং সময়ে এসে থামতে পারাটাও একটা সাফল্য । কিন্তু এখনকার মতো আমরা যা বুঝছি, আমাদের থামবার সময় হয়নি, এইটুকুই বলছি ।
রাজীবঃ ও হ্যাঁ, আর একটা কথা মনে পড়ে গেলো ! শ্রোতাবন্ধুরা অনেকেই জানেন, যে আমাদের এই পডকাস্টের সোশ্যাল মিডিয়াতে তেমন কোনো উপস্থিতি ছিলো না এতদিন । আসলে আমাদের ব্রত যেটা সেটা পালন করা, আর সাহিত্যিকদের লেখা সামনে তুলে ধরা, এটাই আমাদের কাছে বড় কাজ মনে হয়েছে - নিজেদের উপস্থিতি জাহির করা নয় ।
রুদ্রঃ কিন্তু আপনারা অনেকেই জানিয়েছেন, যে আমাদের পডকাস্টে - বা ইউটিউব চ্যানলে - কখন কি প্রকাশ হচ্ছে তা জানাবার একটা বৈদ্যুতিন মাধ্যম থাকলে বেশ ভালো হতো । আর আমাদের গুগলগ্রুপ - যা আমরা এই কারণেই করেছিলাম - সেই উদ্দেশ্যে খুব একটা কাজে লাগছে না, তাও অনেক জানিয়েছেন ।
রাজীবঃ তাই আমরা নতুন করে আমাদের পডকাস্টের একটি ফেসবুক পেজ বানিয়েছি । যদি পারেন, তো অবশ্যই এই পেজের দ্বারা আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করবেন, শ্রোতাবন্ধুরা ।
রুদ্রঃ আর বোধহয় কিছুই বলার বাকি রইলো না, তাই না, রাজীব ?
রাজীবঃ শুধু এইটুকুই - যে নতুন বছরে সবাই ভালো থাকবেন, বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতিকে জীবনে রাখবেন, এই কামনা করি । আজ আসি । নমস্কার ।
রুদ্রঃ নমস্কার ।