কোকরাঝাড়ের ডায়েরি

হোম পেজ

সম্পাদকীয়

উনিশ বছর শরণার্থী শিবিরে


দাঙ্গা-বিধ্বস্ত বড়োভূমি থেকে ফিরে


বড়োভূমিতে দাঙ্গার দিনলিপি


বড়োভূমি ও বড়ো জনজাতির ইতিহাস


বড়ো মুসলমান সংঘর্ষের প্রেক্ষিত


১৯৯৬ সালের বড়ো আদিবাসী

সংঘর্ষের বৃত্তান্ত 


বড়ো মুসলমান সংঘর্ষের

অবসান কোন পথে


আত্মঘাতী সংঘর্ষ : সমাধান কোনপথে


কোকরাঝাড়ের ডায়েরি


বড়ো নেত্রীর চোখে

বড়ো মুসলমান সংঘর্ষ


শরণার্থী শিবির থেকে বলছি








 

কোকরাঝাড়ের ডায়েরি

শঙ্কর নন্দী


 


২ আগস্ট আমরা তিনজন --- আমি, সুস্মিতা আর শুভ পৌঁছলাম অশান্ত কোকরাঝাড়। পরদিন থেকে আমরা বেরোলাম তদন্তের কাজে। প্রথমে গেলাম ডেপুটি কমিশনার শ্রী জয়ন্ত নারলিকরের অফিসে। তিনি একই সাথে জেলাশাসক ও মহকুমা শাসকের দায়িত্বে --- কোকরাঝাড়ে এভাবেই চলে। আমাদের সঙ্গে তিনি খুব ভালো ব্যবহার করলেন, পরিস্থিতি বোঝালেন। শান্তি প্রতিষ্ঠায় আগ্রহী বোঝা গেল। এরপর গেলাম অ্যাডিশনাল ডিসি শ্রী রানিপন মুসাহারির ঘরে। তিনিও আন্তরিক ব্যবহার করলেন এবং বাংলায় কথাবার্তা বললেন। ইনি বড়ো। আমাদের ক্যাম্পের লিস্ট দিলেন এবং বড়ো ও সংখ্যালঘুদের পরিবার পিছু সরকার কীভাবে বস্ত্র বিতরণ করবে তা জানালেন।

এরপর আমরা চললাম একটা বড়ো ক্যাম্পে, যা শহরের কমার্স কলেজে করা হয়েছে। এখানে আমি সাক্ষাৎকার নিই শ্রী সোমেন বসুমাতারি, ৬৭ বছর বয়সি  প্রাক্তন পুলিশকর্মীর। ওঁর বাড়ি বড়োমালগাঁও গ্রামে। হামলায় ঘরবাড়ি ভেঙেছে, লুঠ হয়েছে, মারধোর হয়েছে, তবে কেউ মরেনি। গ্রাম থেকে মহিলাদের আগেই সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। আগে বড়োরা গ্রামাঞ্চলে সংখ্যাগুরু ছিল। দীর্ঘকাল আগে আসা ণ্ণউজানি' সংখ্যালঘুদের সাথে সুসম্পর্ক ছিল। নতুন করে বাংলাদেশ থেকে আসা শরণার্থীতে তারা এখন সংখ্যালঘু। এদের কারণে পারস্পরিক বিশ্বাস চলে যাচ্ছে। ফিরে যাওয়ার ব্যাপারে প্রশ্ন করলে জানান, ণ্ণআমাদের সব শেষ হয়ে গেছে, কোথায় যাব?

এরপর আমরা গেলাম ভুতগাঁও হাইস্কুলের সংখ্যালঘু ক্যাম্পে। শহরের শেষ প্রান্তে। এখানে আমি কথা বললাম মহঃ আমজাদ আলির (৪৫) সাথে। এঁর বাড়ি হেকাইপাড়া গ্রামে। তাঁর অভিযোগ সংখ্যালঘুদের বাঁচাতে বড়ো পুলিশ নিষ্ক্রিয় ছিল। ডিমুলি গাঁও পুলিশ রিজার্ভে বড়োরা সংখ্যালঘুদের ওপর আক্রমণ করতে এলে বড়ো-পুলিশে ১৫ মিনিট গোলাগুলির লড়াই হয়। পুলিশের পক্ষে গুলি চালায় ৫ জন সংখ্যালঘু এবং একজন সাঁওতাল পুলিশ। এছাড়া এই ক্যাম্পে আরও কথা বলি ফুলমা বেওয়া (৩০), যাঁর স্বামী এই দাঙ্গায় মারা গেছেন এবং আরও কয়েকজনের সঙ্গে। শুভ তখন অল বড়ো মাইনরিটি স্টুডেন্টস ইউনিয়নের ঘরে ছাত্রনেতাদের সঙ্গে কথা বলছিল। সন্ধ্যে লেগে যায় এতেই, ড্রাইভার তাড়া লাগাচ্ছিল।

৩ আগস্ট সকাল সাড়ে ন-টায় বের হয়ে প্রথমে গেলাম রবীন্দ্রনাথ ব্রহ্মচারী সিভিল হাসপাতালে। হাসপাতালের সুপার ডাঃ অধীর কুমার ব্রহ্ম আমাদের সাদরে গ্রহণ করলেন। রুগি দেখার মাঝেই আমাদের সাথে কথা বললেন বাংলাতেই। তিনি জানালেন ২৩ জন দাঙ্গায় আক্রান্ত মানুষ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল। তাদের মধ্যে কয়েকজনকে গৌহাটি পাঠাতে হয়েছিল। এই হাসপাতালের তত্ত্বাবধানে তিনটি মেডিকাল ক্যাম্প চলছে। ওষুধের জোগান আসছে ন্যাশনাল রুরাল হেল্প মিশন থেকে। প্রশাসনের হস্তক্ষেপে এই হাসপাতাল ৭ জুলাই এবং ২০ জুলাই আক্রান্ত হওয়ার হাত থেকে বেঁচেছে। আমরা যখন কথা শেষ করে উঠব, একটা ফোন পেয়ে ডা. ব্রহ্ম জানালেন, একটা বুলেটবিদ্ধ মানুষ আসছে গোসাইগাঁও থেকে। হাসপাতাল ছাড়বার সময় একটা সামরিক বাহিনীর অ্যাম্বুলেন্সে তাঁকে দেখলাম, বয়স ২৫-২৬, কোমরে বুলেট লেগেছে। সাথে পরিবারের লোকজন আছে। তাদের থেকে জানতে পারলাম, নাম প্রদীপ গোস্বামী, বাঙালি, বিয়ে করেছেন রাজবংশী পরিবারে। এবং শ্বশুরবাড়িতেই থাকেন। কাছেই সংখ্যালঘু গ্রামে, যেখানে সবাই গ্রামছাড়া, সেখানে ঢুকেছিলেন। প্রহরারত বাহিনী তাঁকে দাঁড়াতে বললে, তিনি ভয়ে দৌড় লাগান। তখন বাহিনী গুলি ছুঁড়লে তাঁর কোমরে লাগে। চিকিৎসার জন্য বাহিনীর জওয়ানরা তাঁকে দ্রুত নামিয়ে দিয়ে গেল।

হাসপাতাল ছেড়ে আমরা গোসাইগাঁওতে যেতে চাইলে রাত হয়ে যাবে ফিরতে, ড্রাইভাবের এই আপত্তিতে আমাদের যাওয়া হল না। ড্রাইভারের আপত্তির কারণ, বড়ো গ্রামের মধ্যে দিয়ে আমাদের যেতে আসতে হবে। বড়ো যুবকরা অস্ত্র নিয়ে থাকে। রাত হলে ভুল করে আক্রমণ করে দিতে পারে। আমরা গেলাম আংটিহারা। আংটিহারার আগে বড়ো জনপদ, সংখ্যালঘু জনপদ, জঙ্গল, শষ্য রোপিত চাষের মাঠ ও থানা পেরিয়ে একটা  পোড়া গ্রামের পাশে আমাদের গাড়ি দাঁড় করালাম। পোড়া গ্রামটা জনমানবশূন্য। সংখ্যালঘুদের গ্রাম। আর ঠিক ডানদিকেই অক্ষত বোরো গ্রাম। রাস্তায় লোকজনকে জিজ্ঞেস করলে তারা গ্রামের নাম বলল চরষিঝড়া আর দোতমা থানা জানাল, গ্রামের নাম নয়ারভিটা। যাই হোক, শুভ আর সুস্মিতা গাড়ি থেকে নেমে গ্রামটা ঘুরে, ফোটো তুলে, লুঠ না হওয়া কয়েকটা আরবি বই নিয়ে এল।

এবার গাড়ি চলল আংটিহারার দিকে। ড্রাইভার গাড়ি দাঁড় করালো একটা ভাঙা কাঠের পুলের সামনে। যে পুল হেঁটে পার হওয়া গেলেও গাড়ি পার হবে না। এখান থেকে হেঁটে আংটিহারা দেড়-দু কিলোমিটার। বেলা পড়ে আসছে। হেঁটে যাওয়া সম্ভব নয়। আমি কয়েকটা বড়ো ছেলেকে জিজ্ঞাসা করলাম, ণ্ণগোসাইগাঁও যাওয়া যাবে? ভয়ের কিছু নাই তো? তারা বলল, ণ্ণনা না, কোনো সমস্যা নেই। দোতমা হয়ে ঘুরে যান। গোসাইগাঁও তো দূরস্থান, আংটিহারাই যাওয়া হল না। অগত্যা এলাম দোতমা থানায়। বড়োবাবু আমাদের সাথে কথা বললেন, নাম প্রদীপ সরকার। অহমিয়া, তবে বাংলা পরিষ্কার। থানা কাছে থাকতেও দাঙ্গা থামানো বা নিরাপত্তা দেওয়া গেল না কেন জিজ্ঞাসা করায় জানালেন, ১০-১২ জন নিয়ে থানা চলে। এখন বাহিনী এসেছে। ণ্ণআমাদের কিছু করার ছিল না। অজানা মানুষদের নামে বিভিন্ন ধারায় এফআইআর করা হয়েছে। তবে এখনও কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি।   

সন্ধ্যের অন্ধকার নেমে আসছে --- গাড়ি ছুটল শহরে। গাড়ি থামল শহরের পার্টি অফিস --- অর্থাৎ বড়ো পিপ্‌লস ফ্রন্টের অফিসের সামনে। আমাদের কথা বলতে হবে শ্রী দেরাসাত বসুমাতারির সঙ্গে। তিনি বড়োল্যান্ড টেরিটোরিয়াল কাউন্সিলের কার্যনির্বাহী সদস্য। অফিসের অনেক কর্মচারী বা কর্মীর মধ্যে একজন বাঙালি কর্মী শ্রী দে আমাদের নিয়ে বসালেন। কিছু ক্ষণের মধ্যেই শ্রী বসুমাতারি এলেন। তাঁর কথায়, বামপন্থীরা ছাড়া কেউই বিটিসি-র বিরোধী নয়। বিটিসি বিল ২০০৩ সালের ১০ মার্চ পার্লামেন্টে পাশ হয়ে যাবার পর বামপন্থী এবং কিছু মুসলিম সংগঠন বিরোধিতা শুরু করে। অ-বড়ো সুরক্ষা সমিতির ব্যানারে বিরোধিতা শুরু হয়। তাঁর মতে, যেখানে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে বিটিসি সৃষ্টি হয়েছে, সেখানে এই বিরোধিতা দেশদ্রোহিতার সামিল। ২০০৩ সালে বিটিসি-তে মনোনীত পরিষদ গঠিত হয় তারপর এখন নির্বাচিত প্রতিনিধিদের হাতে কাউন্সিল। স্বরাষ্ট্র ও কারিগরি শিক্ষা বাদে প্রায় সব দায়িত্ব বিটিসি-র হাতে। ৪৬ জন সদস্য নিয়ে বিটিসি। বড়োদের জন্য সংরক্ষিত ৩০, সাধারণ ৫, সকলের জন্য খোলা ৫, মনোনীত ৬। বর্তমান কাউন্সিলে আছে কংগ্রেস ৫, বড়ো প্রোগ্রেসিভ পিপ্‌লস ফ্রন্ট ১, ইউনাইটেড ডেমোক্রেটিক পিপলস ফ্রন্ট ১ এবং বড়ো পিপলস ফ্রন্ট ২৯। বিটিসিতে ক্ষমতা পেয়ে বিপিএফ উন্নয়নের কাজ শুরু করে এবং উন্নয়নের প্রভাবে মানুষ বিটিসিকে মেনে নেয়। কিন্তু বাম ও সংখ্যালঘুদের দল বিটিসির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করতে থাকে। প্রচার করতে থাকে, সংখ্যালঘুদের অঞ্চলে কোনো উন্নয়নের কাজ হয় না। তাদের বিটিসির বিরুদ্ধে প্ররোচিত করতে থাকে। তাদের প্ররোচনার ফাঁদে পা দিয়ে সংখ্যালঘু মানুষ সমস্যা সৃষ্টি করতে থাকে। এবং নিজেরা ঘটনা ঘটিয়ে বড়োদের ওপর দোষ চাপিয়ে বিটিসির বদনাম করার চেষ্টা করতে থাকে। তার পরিণতিতে আজকের এই অবস্থা।

ব্রিটিশ ভারতে মিশনারিদের শিক্ষাবিস্তার এবং ধর্মান্তরীকরণ প্রক্রিয়া ও পরে স্বাধীন ভারতে শিক্ষাবিস্তার কর্মসূচির মধ্যে দিয়ে বড়ো অঞ্চলেও শিক্ষার বিস্তার ঘটে। জনসংখ্যা বৃদ্ধির মধ্যে দিয়েও বড়োরা কিছুটা শক্তি বাড়িয়েছে। নিজেদের ঐতিহ্য, ইতিহাস, পরম্পরার ঐতিহ্য থেকে অধিকারবোধ জন্ম নিয়েছে। লড়াইয়ের ময়দানে জন্ম নিয়েছে বিটিসি।

অন্যদিকে ব্রিটিশ ভারতে অন্য অঞ্চল থেকে কিছু বাঙালি মুসলিম বড়ো অঞ্চলে বসবাসের জন্য এসেছিল। তারা তারপর বড়ো অধ্যুষিত অঞ্চলে থাকতে শুরু করে। বড়োদের সাথে আদানপ্রদানের মধ্যে দিয়ে স্থায়ী অধিবাসীর স্বীকৃতি পেয়ে যায়। বড়োরা এদের মেনেও নেয়। এদের উজানি বলা হয়।

ভারতের স্বাধীনতার পরে পূর্ব পাকিস্তান ও বাংলাদেশ থেকে হিন্দু ও মুসলিম মানুষ জীবন ও জীবিকার টানে ভারতে আসে। যুদ্ধকালীন পরিস্থিতির ব্যতিক্রমী অবস্থা বাদ দিলে, এর হিড়িক যেমন নেই, তেমনি তা থেমেও নেই। এই পর্যায়ে বাংলাদেশ থেকে বড়োদের অঞ্চলে যাওয়া ও বসতি বিস্তার করা মুসলিমরাই এখনকার সমস্যার কারণ, জানালেন কমার্স কলেজের ক্যাম্পে থাকা সোমেন বসুমাতারি। তিনি আরও জানালেন, এদের বলে, ভাটিয়া।

বহিরাগতদের আগমনে আঞ্চলিক জনবিন্যাসে পরিবর্তন ঘটে আসছে চিরকাল। আমেরিকায় আজ রেড ইন্ডিয়ানরা শুধু দেখবার জন্য আছে। আর্য আগমনে ভারতের আদি অধিবাসীরা জঙ্গলে পালিয়ে আজ সংখ্যালঘু। মাত্র কয়েকশো বছর আগে একটা ধর্ম (শাসকের ধর্ম) বাংলায় ঢুকে সংখ্যাগরিষ্ঠের ধর্ম হয়ে যাওয়ায় রাজনৈতিকভাবে দ্বিখণ্ডিত হয়ে গেল বাংলা এবং ভারত। ত্রিপুরা এখন বাঙালি প্রধান এবং শাসন তাদের হাতে। পুরোনো কলকাতায় সম্ভবত বাঙালি সংখ্যালঘু হয়ে গেছে, আসানসোলে বাঙালি ও অবাঙালি সমান প্রায়।

বড়োভূমির জনবিন্যাসে বড়োরাও আজ সংখ্যালঘু হয়ে গেছে। বড়োরা নিজেদের ভূমির ওপর অধিকার ধরে রাখতে বড়োল্যান্ড আন্দোলনের মাধ্যমে বিটিএডির জন্য বিটিসি গঠনের অধিকার আদায় করে নিয়েছে সংসদে। বিধানসভায় বিল প্রণয়ন ও পাশের মাধ্যমে। এইভাবে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে বিটিসি গঠন হয়েছে বলে তারা দাবি করে।

কিন্তু অবড়ো, যাদের সংখ্যা আজ বড়োল্যান্ডে বড়োদের থেকে বেশি, তারা এই বিটিসির প্রতিনিধি নির্বাচন প্রক্রিয়াকে মেনে নিতে পারছে না। সংখ্যাগুরু হয়েও সংখ্যালঘুর আইনি আধিপত্যে থাকতে তাদের বাধ্য করা হচ্ছে বলে তারা মনে করছে।

এখানে কীভাবে শান্তি ফিরবে?

অথবা অবড়োরা যদি বড়োভূমিতে আশ্রয় পেয়ে বেঁচে আছি মনে করে বিটিসিকে মেনে নেয়, তবে শান্তি ফিরতে পারে।

অথবা, বিটিসি যদি কোটামুক্ত হয়ে বড়োল্যান্ডে বসবাসকারী সব মানুষের সার্বজনীন বিটিসি হয়ে উঠতে পারে এবং বড়োরা যদি হৃদয় দিয়ে তা গ্রহণ করতে পারে, তবেই শান্তি ফিরতে পারে।

জীবনের প্রয়োজনে, কেউ কাউকে না ঘাঁটিয়ে পারস্পরিক বিশ্বাস অবিশ্বাস নিয়ে শরণার্থীরা ফিরে যাবেন যে যার ঘরে, কারণ, রাষ্ট্রের পক্ষে এই দায় খুব বেশিদিন বহন করা সম্ভব হবে না। আর অন্য গ্রহে মাটি খুঁজে বসবাসের জায়গা জোগাড় করতে না পারলে ভারত/বাংলাদেশ --- দুই রাষ্ট্রের হাতে এমন পতিত জমি নেই যে, যেখানে এদের বসবাসের ব্যবস্থা করা সম্ভব।

শান্তি অশান্তি গলা ধরাধরি করে এগোবে --- স্থায়ী শান্তি বলে কিছু হয় না, তেমনি স্থায়ী অশান্তি নিয়েও মানুষ বাঁচে না। এভাবেই জীবন চলবে।
Comments