হোম পেজ

এই সংখ্যার হোম পেজ


চেন গ্রামের অভিজ্ঞতায় বিপ্লব থেকে বিশ্বায়ন [তৃতীয় অংশ]


বিশ্বায়িত চীনে রাষ্ট্রের ভূমিকা, শ্রম-নীতি এবং গ্রাম থেকে শহরে আসা অভিবাসী শ্রমিকদের সংগ্রাম


মাওবাদ-মাও চিন্তাধারা --- কিছু কথা 


প্রতিবেদন

নির্দলীয়তা থেকে ক্ষমতা-মুক্তি প্রবাহে


পাঠকসভার বিবরণ


মাথা উঁচু করে বেঁচে থাকা এক দর্জির কথা


চিঠিপত্র :

১. বিষয় : হিংসা-অহিংসার তর্ক  

২. বিষয় : বাতিল শ্রমিক 


 

সম্পাদকীয়


চীনের আকাশে


এবছর জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি সংখ্যা থেকেই আমরা চীন নিয়ে কিছু আলোচনার সূত্রপাত করেছিলাম। দ্বিতীয় দফায় মে-জুন সংখ্যার পর বর্তমান সংখ্যায় ফের আমরা চীনের আলোচনায় ঢুকছি। কেন এখন আমরা চীন নিয়ে আলোচনা করছি, তা এর আগে আমরা বলার চেষ্টা করেছি। এবারের সংখ্যায় এসেছে ১৯৮০-পরবর্তী চীনের আলোচনা।

          একসময় বামপন্থী রাজনীতিতে একটা জোরালো তর্ক ছিল, ভারতীয় সমাজ-অর্থনীতির সঙ্গে কার বেশি মিল, চীন না রাশিয়ার? যার সঙ্গে মিল, সেই দেশের বিপ্লবের পথ ও পন্থা অনুসরণ করা যাবে। সমাজ পরিবর্তনের কাজটা সহজ হয়ে যাবে। সেই তর্কটা একসময় পড়ে থাকা এক থালা মুড়ির মতো মিইয়ে গেল। আজও তার জের রয়েছে মার্ক্সবাদী না মাওবাদী এই টানাপোড়েনের মধ্যে।

          আসলে একটা সময় পর্যন্ত চীন সম্পর্কে জানতে বুঝতে হলে দুটো সূত্র প্রবল হয়ে দেখা দিত : চীনা কমিউনিস্ট পার্টি আর পশ্চিমি সাহিত্য। এ দুটোই ছিল প্রবল প্রোপাগান্ডিস্ট, প্রচারপ্রিয়। মাও সেতুঙের লেখায় উঁকিঝুঁকি মারত এক হান শভিনিজম-এর বিপদের কথা। কিন্তু সেসব লেখাপত্রে তার দৌরাত্ম টের পাওয়া যেত না। পরে যখন পুব আর পশ্চিম একাকার হয়ে যেতে লাগল; যখন তিব্বত, পূর্ব তুর্কিস্তান, শিনজিয়াং-এ বিক্ষোভের কথা জানা গেল; যখন ২০০৮ সালে সারা পৃথিবী জুড়ে তিব্বতীরা পথে নেমে পড়ল, তখন আমরা জানবার বুঝবার আরও সূত্রের দিকে চোখ ফেরাতে শুরু করলাম। মন্থন পত্রিকার পরিসরে আমাদের চর্চার সেটাই সূচনা।

যে পশ্চিমি বুদ্ধিজীবীরা একসময় চীনের আকাশে লালতারা দেখে উদ্বুদ্ধ হয়েছিলেন, এখন কি চীনের আকাশে [এশিয়ান গেমসের] ভেলকি-র আলোয় তাঁদের চোখ ধাঁধিয়ে গেল? নাকি সেই প্রবল আলোর নিচে নিকষ অন্ধকারেও তাঁরা চোখ রাখতে চাইছেন? চীন নিয়ে আমাদের চর্চা সেই প্রশ্নটাও তুলতে চাইছে।


ċ
Manthan Samayiki,
Nov 25, 2010, 11:42 PM
Comments