হোম পেজ

এই সংখ্যার হোম পেজ

সিংহলা-তামিল বৈরিতার কালপঞ্জি

সাক্ষাৎকার :
এক ভারতীয় তামিলের চোখে শ্রীলংকার তামিল সমস্যা

সমাজ বিবর্তনের পথ ধরে সিংহলা-তামিল

শ্রীলংকার তামিল সাহিত্য

চিঠিপত্র :
বিষয় : গত সংখ্যার সংশোধন

গড়ে ওঠার পাঠ

শর্মিলার সত্যাগ্রহের শিক্ষা
 
 

সম্পাদকীয়


নতুন আন্দোলন


এবারের সংখ্যায় আমরা আমাদের প্রতিবেশী দেশ শ্রীলংকায় যে মর্মান্তিক গণহত্যা ঘটানো হল, তার ওপর কিছুটা আলোচনা করতে চেয়েছি। আলোচনায় সিংহলা-তামিল বিরোধ এবং তামিল সমাজের সমস্যা অবশ্যই গুরুত্ব পেয়েছে। কিন্তু আর একটা বিষয়ও শ্রীলংকার তিনদশকের গৃহযুদ্ধ থেকে উঠে এসেছে --- রাজনীতিতে হিংসা-প্রতিহিংসার আবর্ত। শুধু আমরাই নই, সারা বিশ্বের কাছেই শ্রীলংকা ও পাকিস্তানের ঘটনাবলী যথেষ্ট নজর ও শিক্ষাগ্রহণ দাবি করে। কীভাবে একটা পন্থা রাজনৈতিক কার্যকলাপকে আদর্শহীন করে তুলতে পারে, গোটা সমাজকে নিশ্চিহ্ন করার দিকে নিয়ে যেতে পারে, শ্রীলংকা তার জ্বলন্ত দৃষ্টান্ত। প্রায় এক লক্ষ মানুষের প্রাণ কেড়ে নিয়ে, কয়েক লক্ষ মানুষকে গৃহহীন ও দেশছাড়া করে এখন সেখানে এসেছে কবরের শান্তি। এই শান্তি কি কখনও সুস্থ সমাজ গড়ে তুলতে পারে? এই প্রশ্ন আজ আর কোনভাবেই এড়িয়ে যাওয়ার উপায় নেই।

প্রায় দশবছর আগে থেকেই এরকম একটা উত্তর উঠে এসেছিল মণিপুরী কৌমসমাজের মধ্য থেকে, বিশেষত সেখানকার মেয়েদের জগৎ থেকে। ২০০০ সাল থেকে যুবতী-কবি শর্মিলার আমরণ অনশন; মশাল-বাহক (মেইরা পাইবি) ঘরোয়া মেয়েদের রাস্তায় নামা, মেয়েদের বাজার (কেইথেল) থেকে প্রবীণাদের সরাসরি সামরিক-রাষ্ট্রশক্তিকে চ্যালেঞ্জ --- এক নতুন আন্দোলনের জন্ম দিয়েছিল। এই আন্দোলন শুধু পন্থা হিসেবেই নয়, নতুন অন্তর্বস্তুতে সারা ভারতবর্ষকে নাড়িয়ে দিয়েছিল। দলীয় রাজনীতির ‘এলিট’ পরিসরকে অস্বীকার করেছিল এই আন্দোলন। ২ নভেম্বর ২০০৯ শর্মিলার অনশন দশ বছরে পা দিল। সাম্প্রতিক এক কবিতায় এর প্রতি আমাদের শ্রদ্ধার্ঘ নিবেদন করি।


 

শান্তি আর ন্যায়ের উৎসব

         

রাইফেল-মাইফেল থেমে থাকে উপত্যকায় ---

দশটা বছর ধরে একটা কবিতা লিখছে কবি,

দীর্ঘ কবিতা,

অন্ন-জল ত্যাগ ক’রে প্রাণপণ একাগ্রতায়

 

লোহার গরাদে বন্দী তবু

কাগজ-কলম নেই তবু

নাকে নল, অসুস্থ শরীর, তবু তবু তবু

         

কবিতার নাম --- ছুঁড়ে ফেল সব কালা কানুন

কবি, মণিপুরী মেয়ে, ইরম শর্মিলা চানু।

---- অমিতাভ সেন


সম্পাদকঃ জিতেন নন্দী

যোগাযোগের ঠিকানাঃ বি ২৩/২, রবীন্দ্রনগর, পোস্ট অফিসঃ বড়তলা, কলকাতা- ৭০০০১৮

দূরভাষঃ (৯১)-০৩৩-২৪৯১৩৬৬৬

ই-মেলঃ manthansamayiki@gmail.com

Comments