হোম পেজ

এই সংখ্যার হোম পেজ

আমার কর্মজীবনের অভিজ্ঞতা        

ফলতা বিশেষ শিল্পাঞ্চলের কথা       

ফলতা এসইজেড-এ শ্রমিকের জোগান

ফলতা এসইজেড-এর ক্যাচড়া বৃত্তান্ত

শেনঝেন থেকে ফলতা এসইজেড : তিন দশকের পরিক্রমা    

জন-বিবেচনায় মহারাষ্ট্রের এসইজেড 


সভ্যতা নিয়ে জন জের্জেনের বিচারমূলক আলোচনা               


আবহাওয়া পরিবর্তন ও উপকূলের জনগোষ্ঠী             

 

পত্রিকা পর্যালোচনা : আঞ্চলিক ইতিহাসচর্চা ও সুন্দরবন অঞ্চলের এক পত্রিকা       

 

দান্তেওয়ারার আশপাশে              

 

চিঠিপত্র : বিষয় : সমস্যা সমাধানে 'মন্থন’  

       

তপনের সংসার
 

সম্পাদকীয়


ফলতার পঁচিশ বছরের কীর্তি


অতীতে আমাদের দেশে মেলা ছিল মানুষের মেলবার জায়গা। যেমন ছিল হাট। সপ্তাহের নির্দিষ্ট দিনে হাট বসত। হাট এখন বসে না, বসানো হয়। মেলাও এখন লোক জড়ো করার একটা ফিকির। মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত মেলবার ইচ্ছের ওপর একটা কারসাজি। এমনকী পুরনো মেলাগুলোও এই কারসাজির ঠেলায় দূষিত হয়ে পড়েছে।

ফলতায় স্পেশাল ইকনমিক জোনের রজত জয়ন্তী বর্ষ উদ্‌যাপন চলছে। এই উপলক্ষ্যেও জোনের কর্তৃপক্ষ সেখানে একটা মেলা বসিয়ে দিয়েছে। বড়ো বড়ো তোরণ তৈরি করা হয়েছে; ফলাও করে স্পেশাল ইকনমিক জোনের মহিমা কীর্তন চলছে। অথচ জোনের ৬০ থেকে ৮০ শতাংশ ঠিকাশ্রমিক। এই হাজার হাজার ঠিকাশ্রমিক --- বিশেষত মহিলারা --- পঁচিশ বছর ধরে টের পেয়ে চলেছে জোনের মহিমা! জীবজগতের মধ্যে একমাত্র মানুষই বোধহয় নিজের স্বার্থবুদ্ধির দিকে তাকিয়ে এতখানি বিকারগ্রস্ত হয়ে পড়তে পারে এবং অন্য মানুষকে এইভাবে লাঞ্ছিত করতে পারে --- যা চলছে ফলতায় কড়া পাহারায় জোন নামক ঘেরাটোপের আড়ালে।  

      এবারের সংখ্যায় আমরা ফলতার অভিজ্ঞতা নিয়ে কিছুটা আলোচনা করতে চেয়েছি। চীনের স্পেশাল ইকনমিক জোন এবং সেখানকার শ্রমিকদের জীবন নিয়ে একটা চর্চা ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে। কিন্তু আমাদের পশ্চিমবঙ্গে যে এভাবে একটা প্রক্রিয়া টানা পঁচিশ বছর ধরে চলতে পারল, তার সুনাম (বা দুর্নাম) কাদের প্রাপ্য? দিল্লি না রাজ্য সরকারের? নাকি অন্য কারও? পাঠকরাও বিষয়টা ভেবে দেখবেন।     

সম্পাদকঃ জিতেন নন্দী

যোগাযোগের ঠিকানাঃ বি ২৩/২, রবীন্দ্রনগর, পোস্ট অফিসঃ বড়তলা, কলকাতা- ৭০০০১৮

দূরভাষঃ (৯১)-০৩৩-২৪৯১৩৬৬৬

ই-মেলঃ manthansamayiki@gmail.com


Ċ
Manthan Samayiki,
Mar 5, 2010, 3:01 AM
Comments