Shaheen Islam‎ > ‎Linguistic‎ > ‎

Philosophy of Language


Philosophy of Language — Alston

Course 408 (2010)




May 22(Sat), 2010
this is a class-note written after the class


আমরা ভাষা শিক্ষন নিয়ে আলোচনা করলাম। নোয়াম চমস্কি আলোচনায় আসলো: বুদ্ধিবাদ-বনাম-অভিজ্ঞতাবাদ সে পুরনো তর্কটি চমস্কি কি ভাবে উজ্জীবিত করল? একটি শিশু সম্পূর্ণ এক নতুন বাক্যের — যা তার অভিজ্ঞতার বিচরনের বাইরে ছিল — মুখোমুখি হতে পারে; অথচ সে তা বুঝতে পারে; বলতে পারে। কি ভাবে এ সম্ভব? নিশ্চয় তা অভিজ্ঞতালব্ধ নয়। অতএব — চমস্কি সিদ্ধান্ত টানলেন — আমাদের ভাষা-জ্ঞান বুদ্ধিজাত ; যে বুদ্ধি আমাদের মজ্জাগত — আমাদের মস্তিষ্কে নিশ্চয় এমন একটি অঙ্গ,বা অঙ্গের মত কিছু একটা ,আছে যা আমদের ভাষা-জ্ঞান বা ব্যাকরণ-জ্ঞানের উৎস।

ভাষা দর্শনের গোড়াপত্তন — বলা যায় — অর্থ (meaning) নিয়ে। অর্থ কি? যেমন এ বাক্যটির — বাহিরে টিপ্‌ টিপ্‌ করে অনেকক্ষণ ধরে বৃষ্টি হচ্ছে — অর্থ কি? অথবা বৃষ্টি   বা কলম  বা শাহীন  শব্দগুলির অর্থ কি? কোন অর্থ কোনকিছুর অর্থ হয়ে থাকে। এই কোনকিছুকে আমরা অর্থ-বাহক (meaning-bearer) বলব। আমরা দেখছি একটি বাক্য, এবং বাক্যের পাশাপাশি একটি শব্দের অর্থ থাকতে পারে; অর্থাৎ বাক্য আর শব্দ উভয় অর্থ-বাহক হতে পারে। এখন একটি প্রশ্ন। কোনটি প্রধান? শব্দের অর্থ থেকে বাক্যের অর্থ হয়? না, বাক্যের অর্থ থেকে শব্দের অর্থ হয়? প্রশ্নটির বিহিত হওয়ার আগে আমরা একটু শব্দ নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করব: শব্দ (word) ঠিক কি? তারও আগে আর একটি প্রশ্ন। কথা (speech) আগে, না লেখা (writing) আগে ? বিবর্তনের ধারায়, অবশ্য, কথা আগে, পরে লেখা। শব্দ কিন্তু লেখারই একটি প্রতিফলন, হয়ত কিছুটা তত্ত্বগত — তথা কৃত্রিম । আমি যখন লিখি আমার নাম শাহীন  তখন দেখা যায় বাক্যটির মধ্যে শব্দের বিভাজন; আমরা তিনটি শব্দ — আমার , নাম   ও শাহীন  — সনাক্ত করতে পারি। কিন্তু আমি যখন বলি আমার নাম শাহীন  তখন শোনা যাবে একটি ধ্বনির বা শব্দের বা আওয়াজের প্রবাহ(flow of sounds)। সে শব্দ-প্রবাহে (sound-flow) শব্দ-বিভাজন (word-sections) অনুভব করার কথা নয়, কারন শব্দ-বিভাজন শব্দ-প্রবাহের উপর একটি তত্ত্বগত আরোপন। 

সাবধান : "শব্দ" শব্দটি দ্ব্যার্থময়

বাংলায় "শব্দ" দ্ব্যার্থময়। একটির মানে বাক্যে অবস্থিত শব্দ: ব্যাকরন ও syntaxএর সাথে যুক্ত। আরেকটি আওয়াজ: আমাদের কানের সাথে যুক্ত।


 কিন্তু তত্ত্বিয়ভাবে  একটি বাক্যকে পরিশেষে শব্দে বিভাজন করাটা যথেষ্ট নয়; মনে হয় বিভাজন আরও মিহি হোয়া উচিৎ। ব্যপারটি  উদাহরনের মাধ্যমে বোঝানো যেতে পারে। নীচের বাক্যটি, বা বাক্যের বিশ্লেষণটি, একটু দেখা যাক,

বাহিরে + টিপ্‌ + টিপ্‌ + করে + অনেকক্ষণ + ধরে + বৃষ্টি + হচ্ছে

বাক্যটিতে "+" চিহ্ন দিয়ে দুটি শব্দের মধ্যে বিভাজন, তথা শব্দ-বিভাজন, দেখালাম। কিন্তু দেখ আমরা বিভাজন আরো মিহি করতে পারি। যেমন,

বাহির + + টিপ্‌ + টিপ্‌ + কর + + অনেকক্ষণ + ধর + + বৃষ্টি + হয় + ছে

পরের বিশ্লেষণটি আগেরটির চেয়ে আরো মিহি, এবং আরো বেশী কৃত্রিম। আমরা এখানে দেখছি আরো কিছু বাড়তি —বলা যাক — কণা। বাড়তি কণাগুলি হচ্ছে এখানে বিভক্তি:" "এবং"ছে "। পরের বিশ্লেষণের ফলস্বরূপ আমরা যাই পাচ্ছি তাকে আমরা বলব কণা বা শব্দ-কণা (lexeme)।


now you must put the end tags to end the section

Comments