অধিবিদ্যা (502 এ যাত্রা শুরু করা যাক)

posted Apr 27, 2010, 8:22 AM by Shaheen Islam   [ updated Mar 28, 2011, 4:18 AM ]

Warning regarding the Bangla Note

Dear students,

I am not very happy with the following Bangla note. Something has not been properly expressed in the last paragraph (especially with regard to "categories"). Therefore I have crossed out the whole paragraph. I am re-writing the whole note in English. Try to follow the English note , though for your convenience I am not removing the Bangla note yet. The English note will be after the Bangla one, and I will continue writing in English.


Aristotle, being-qua-being / Nature & structures of what exist / General features of existence

Classification àCategories/kinds à Categorical features à limited generalities


আমরা “অধিবিদ্যা” বলতে সে বিষয়কে বুঝাচ্ছি যাকে ইংরেজীতে — বা আরও অন্যান্য (ইওরোপীয়) ভাষায় — বলা হয় “Metaphysics” (ভাষা বিশেষে বানানটার একটু হের ফের হয়)| “Metaphysics” শব্দটি খুব সম্ভব গ্রীক ভাষা থেকে। আরিস্তোতেলীকে এ বিষয়টির আদি গুরু ধরা হয় [1] । তিনি আবার আরেকটি বিষয়ের গুরুও বটে: “Physics” — যেটিকে আমরা বাংলায় “পদার্থ বিদ্যা” বলে থাকি| তাঁর দুটি গ্রন্থের নাম “Physics” এবং “Metaphysics”| কালপরিক্রমায় “Metaphysics” লেখা হয় “Physics” এর পরে, সেই জন্যে “Metaphysics” নামকরন : অর্থাৎ “Physics এর পরে”,— এখানে “meta” মানে হচ্ছে “পরে”| কিন্তু বর্তমানে “metaphysics” আমরা যে অর্থে ব্যাবহার করি সেখানে “meta” উপসর্গটির অর্থে একটি বিমূর্ত (abstract) ভাব এসে যায়; বলা যায় “metaphysic” মানে হচ্ছে “Physics এর (বা পদার্থ বিদ্যার)উপরে” বা “Physics অতিক্রম করে আরো গভিরে” | কিন্তু এ “উপরে” বা “গভিরে”, এ রূপক শব্দগুলি ব্যবহার করে আমরা কি বুঝাতে চাচ্ছি? আগে Physics কি করে দেখা যাক। 

Physics এর মাথাব্যাথা পদার্থ নিয়ে — বস্তুর গতিবিধি, বস্তুর ভর, স্থান-কাল, বস্তুর গঠন ইত্যাদি, ইত্যাদি। সোজা কথায় Physics বস্তুর বিশেষ কতকগুলি গুনাগুন নিয়ে মত্ত। কিন্তু একটি বস্তু ও তার গুনাগুণের মধ্যে — যে কোন বস্তু আর যে কোন গুণ — সম্পর্ক ঠিক কি? এটি কি রকম সম্পর্ক? এ প্রশ্নটি সচারাচর পদার্থ বিদ্যার আওতায় পরে না। অথচ অধিবিদ্যার জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। মোটা দাগে আমরা বলতে পারি যে অধিবিদ্যায়, যেটি পদার্থ বিদ্যায় সচরাচর হয় না, আমরা বস্তু, গুন, বস্তু ও গুনের মধ্যে সম্পর্ক, এবং আরো কিছু আনুসাঙ্গিক বিষয়ে খুব সাধারণ — বিমূর্ত — দিক নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করে থাকি।  

আর একটু বিস্তারিত ভাবে দেখা যাক।এ উদাহরণটি দিয়ে আগানো যাক :

কলমটি লাল

বাক্যটিতে কলম একটি বস্তু আর লাল একটী গুণ। কলম আর লাল মিলে জগতে একটি কান্ড ঘটে গেল, কিংবা জগৎ ঘটনাক্রমে এ ভাবেই হলো। জগৎ কি অন্য ভাবে হতে পারত? আবার আমার জামাটিও লাল। আর একটি কান্ড। কিংবা জগতের আর একটি রূপ : আমার জামাটি লাল । হরেক রকম প্রশ্ন এখানে ভিড় করে।

  1. বস্তু কি?
  2. গুণ কি?
  3. বস্তু আর গুণের মধ্যে সম্পর্কটি কেমন?(“আমার জামাটি লাল” হওয়াতে আমার জামা আর লালত্বের মাঝে একট সম্পর্ক স্থাপিত হোলো। এ সম্পর্কটি কেমন?)
  4. জগৎ অন্য ভাবে হতে পারত বা সম্ভাব্য জগৎ(possible worlds)বলতে আমরা কি বুঝি?
  5. জগৎ কি?
  6. কান্ড  বা জগতের এ বিশেষ রূপ বলতে আমরা কি বুঝি?

এ সব প্রশ্ন বা সমস্যা অধিবিদ্যায় উত্থাপিত হয়, এবং এক এক দার্শনিক এক এক ভাবে এগুলির সমাধানে সচেষ্ট হোন।

 

     প্রথম প্রশ্নটি: বস্তু কি? অধিবিদ্যার প্রশ্ন বটে। তবে ইতিহাসে প্রশ্নটির পুরোধা ছিল অন্য আর একটি প্রশ্ন: অস্তিত্ব কত রকম হতে পারে? এ পরের প্রশ্নটি দিয়ে অধিবিদ্যায় যাত্রা শুরু করলেন আরিস্তোতলিস এবং পরে কান্ট। পরের প্রশ্নের উদ্দেশ্য: একটি শ্রেণিবিন্যাস (classification), অস্তিত্বের শ্রেণিবিন্যাস (classification)। কেন এ শ্রেণীবিন্যাস? অথবা অধিবিদ্যায় এ রকম শ্রেণীবিন্যাস কেন করা হয়? সংক্ষিপ্ত ভাবে উত্তরটি হচ্ছে : অধিবিদ্যায় আমরা অস্তিত্বগুলির পারস্পরিক সম্পর্কের খুব সাধারণ দিকটি উদ্ঘাটিত করতে চাই ।

     ব্যপারটি আর একটু খোলাসা করে বলা যাক। “শাহীন আছে”, “মোবাইলটি আছে”, “লম্বাত্ব আছে”। এগুলি বাক্য, সত্য বাক্য (আসলে কি তাই?), এবং বাক্যগুলি সত্য বলে এদের প্রত্যেকটির পেছনে কোন ঘটনা বা কান্ড বর্তমান থাকে। [সত্য (Truth), কান্ড (Fact, Event), বাক্য (Sentence) ইত্যাদি অধিবিদ্যা্য় হরহামেশায় আলোচিত হয়।] এখন শাহীন, মোবাইলটি, লম্বাত্ব হচ্ছে অস্তিত্ব (being)।এ তিনটি অস্তিত্বকে আমরা স্রেফ “অস্তিত্ব” বলে (বা অন্য কোন ল্যাবেল সেঁটে)কান্ত হলে জগৎ, বাস্তবতা, সম্ভাব্য/অসম্ভাব্য সম্পর্কে খুব একটা গভির বা সাধারণ কিছু উম্মোচিত করতে পারব না। অত সাধারাণিকরণ দিয়ে লাভ হবে না, একটু হাড্ডি মাংস যোগ করা উচিৎ। শ্রেণীকরণ, সে নিমিত্তে, একটি ভাল পদক্ষেপ। এটি খুবই স্পষ্ট যে শাহীন, মোবাইলটি, লম্বাত্ব, এ তিনটি অস্তিত্ব একে অপরের চেয়ে বেশ ভিন্ন। কাজেই আমরা খুব অবাক হব না কোন অধিবিদ্যাবিদ যদি তিনটিকে তিনটি খাপ বা শ্রেণীতে ফেলেন। শাহীন একটি বা (আরো বৈয়াকরণিক ভাবে বললে) একজন ব্যাক্তি – যার উপর এমন সব গুণাগুণ (বিশেষ করে নৈতিক, ও মানস গুণাগুণ) আরোপ করা যায় যা অন্য দুটি অস্তিত্বের উপর আরোপযোগ্য নয়। একি ভাবে অন্য দুটি আস্তিত্বের সে রকম নিজস্ব গুণাগুণ থাকবে। কথা হলো যে কোন দুটি ভিন্ন জিনিষের ( যেগুলির সাথে আমরা দৈনন্দিন জীবনে পরিচিত, আমরা কোয়ান্টাম পর্যায়ে যাচ্ছি না) প্রত্যকটির কিছু নিজস্ব বৈশিষ্ট্য

Aristotle, being-qua-being / Nature & structures of what exist / General features of existence

Classification àCategories/kinds à Categorical features à limited generalities

Metaphysics:  At First Sight


The word “metaphysics” comes from prefixing “meta” with the word “physics”. This suggests that metaphysics bears some connection with physics. There is, of course, some history behind. Aristotle wrote two books which were named (perhaps, later by his followers) “physics” and “metaphysics” (and bear it in mind that Aristotle was physicist too, we still learn about “average velocity” that was said to be coined by Aristotle). The latter was written after the former; hence the prefix “meta” means just “after”, so metaphysics means “after physics”. But the prefix “meta” along with the word “metaphysics” has gained much thicker connotation now: roughly we can take “meta” to mean “underlining”, and metaphysics is about something deeper underlining physics and as well as other aspects of reality.(Note my emphasis in italics, we may return to it later).

We may wonder now how the two subjects, physics and metaphysics, differ from each other. Well, physics is concerned with motions, the mass and shape of a body, space-time and all that. In other words physics, usually, deals with some specific properties pertaining to matter and material bodies. In contrast metaphysics is concerned with these questions. What is exactly the relation or relationship between an individual and a property (when the individual is said to have that very property)? What is the nature of that relation? It seems that in metaphysics we like to delineate the very general features they are too general to interest a physicist normally pertaining to objects, properties, and connections between objects and properties. This is of course a sweeping contrast, and too general too.  So let us be more specific.

Consider the following sentence or assertion.

The pen is red.

            The sentence is about a pen which is (considered to be) an object and about red which is (considered to be) a property. There, in the world, is a fact, or an event, or something has happened involving the pen and the red (or the redness). Could it happen differently (for example the pen could be green instead, though it is red now here)? Again my shirt is red too. Another fact, another aspect of the world: My shirt is red. Many questions arise now.

        1.             What do we mean by an object, an individual or a particular?

        2.             What do we mean by a property?

        3.             How does an object connect with a property? (As my shirt is                            red there is a connection between my shirt and redness? What                         is this relationship?

   4.             Could the world be different? Or what do we mean by possible                                             worlds?

   5.             What do we mean by (possible) worlds?

   6.             What do we mean by facts and events?

             These are questions raised in metaphysics, and different philosophers tend to have different answers. The first question: What do we mean by an object, an individual or a particular? It is a metaphysical question, but historically there has been a much more important question: How many types of beings or entities are there? In history metaphysics was repeatedly initiated by posing this question; Aristotle had this question, so did Kant. The intent was: a classification of beings or entities. But why should we go for that kind of classification? Because, in metaphysics we like to delineate the general outline of how these beings are mutually related.


Let us try to explain the matter further. Consider these:

Jan exists

The cell phone exists

The tallness exists

All these are sentences. Suppose they are true; therefore, some things must be there like facts, events and so on which render them to be true; we may call these essential factors truthmakers (I like to use the term "truthmaker" very loosely, and I don't want to be too serious focusing too much on this notion). These truthmakers are in turn have some further ingredients or maybe they are involved with some further things which we may simply call things, or more technically beings, entities or existences. Now when we classify these entities we sort them out  into different classes or types according to what role we think they play or might play in truth making; a trivial classification consisting of only one class will be useless for us. For example the fact that Jan is tall makes both these true that Jan exists and as well as that tallness exist but yet we may feel that the entities Jan and tallness cannot have same role and consequently they cannot belong to a single class. Aristotle or an Aristotleian would feel that tallness is somehow dependent on Jan but not the other way round; hence the being Jan is something very fundamental or primary

But if we make a classification only by levelling them by bringing all those beings under single rubric the

. [ No wonder truth, facts, events, sentences are always important topics in metaphysics.] Now Shaheen


ব্যপারটি আর একটু খোলাসা করে বলা যাক। “শাহীন আছে”, “মোবাইলটি আছে”, “লম্বাত্ব আছে”। এগুলি বাক্য, সত্য বাক্য (আসলে কি তাই?), এবং বাক্যগুলি সত্য বলে এদের প্রত্যেকটির পেছনে কোন ঘটনা বা কান্ড বর্তমান থাকে। [সত্য (Truth), কান্ড (Fact, Event), বাক্য (Sentence) ইত্যাদি অধিবিদ্যা্য় হরহামেশায় আলোচিত হয়।] এখন শাহীন, মোবাইলটি, লম্বাত্ব হচ্ছে অস্তিত্ব (being)।এ তিনটি অস্তিত্বকে আমরা স্রেফ “অস্তিত্ব” বলে (বা অন্য কোন ল্যাবেল সেঁটে)কান্ত হলে জগৎ, বাস্তবতা, সম্ভাব্য/অসম্ভাব্য সম্পর্কে খুব একটা গভির বা সাধারণ কিছু উম্মোচিত করতে পারব না। অত সাধারাণিকরণ দিয়ে লাভ হবে না, একটু হাড্ডি মাংস যোগ করা উচিৎ। শ্রেণীকরণ, সে নিমিত্তে, একটি ভাল পদক্ষেপ। এটি খুবই স্পষ্ট যে শাহীন, মোবাইলটি, লম্বাত্ব, এ তিনটি অস্তিত্ব একে অপরের চেয়ে বেশ ভিন্ন। কাজেই আমরা খুব অবাক হব না কোন অধিবিদ্যাবিদ যদি তিনটিকে তিনটি খাপ বা শ্রেণীতে ফেলেন। শাহীন একটি বা (আরো বৈয়াকরণিক ভাবে বললে) একজন ব্যাক্তি – যার উপর এমন সব গুণাগুণ (বিশেষ করে নৈতিক, ও মানস গুণাগুণ) আরোপ করা যায় যা অন্য দুটি অস্তিত্বের উপর আরোপযোগ্য নয়। একি ভাবে অন্য দুটি আস্তিত্বের সে রকম নিজস্ব গুণাগুণ থাকবে। কথা হলো যে কোন দুটি ভিন্ন জিনিষের ( যেগুলির সাথে আমরা দৈনন্দিন জীবনে পরিচিত, আমরা কোয়ান্টাম পর্যায়ে যাচ্ছি না) প্রত্যকটির কিছু নিজস্ব বৈশিষ্ট্য


[1] প্লাতন

Ċ
Shaheen Islam,
Jul 11, 2010, 7:04 PM
Comments