Science World Review (September) 

 

 Home

 

ফ্লাইং সসার ঃ ওরা কেন আসেনি?

নিঃসীম মহাবিশ্বে প্রাণের সৃষ্টি প্রক্রিয়াটি খুবই বিরল একটি ঘটনা নাকি মহাবিশ্বের অন্য অঞ্চলেও বিকশিত হয়েছে প্রাণ-স্পন্দন? আদি-অন্তôহীন মহাবিশ্বে শুধু কি পৃথিবী নামের গ্রহটিতেই ঘটেছে প্রাণের বিস্তôার? নাড়্গত্রিক কোনো অতি উন্নত সভ্যতা কি আসেনি এখনও ৈএসব প্রশ্ন মানুষকে তাড়া করে ফিরেছে শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে। পৃথিবীর সন্তôান মানুষ অপার কৌতূহল নিয়ে তাকিয়েছে অনন্তô নড়্গত্রের পানে। ভেবেছে ঐ নড়্গত্রের মাঝেই বুঝি-বা রয়েছে তার যমজ প্রজাতি অথবা অধিকতর বুদ্ধিমত্তা সম্পন্ন নতুন কোনো প্রাণ। আর মানুষের অনন্তô কৌতূহল, অসীম জিজ্ঞাসার পালে হাওয়া দিয়েছে সুদূর অতীত থেকে বর্তমান পর্যন্তô ঘটে যাওয়া নানা কথা-উপকথা, মিমাংসিত-অমিমাংসিত রহস্য। উদাহরণ হিসেবে বাইবেলে বর্ণিত সডোম ও গরমা নামের দুটি নগরের কাহিনী মনে করাই যথেষ্ট। পরমাণু শক্তি চালিত নভোযান দিয়ে নাকি ধুলোয় মিশিয়ে দেয়া হয়েছিল নগর দুটিকে! প্রাচীনকালের সেই পরমাণু শক্তিধর কারা? কারা সেই বহির্জাগতিক সভ্যতার ধারক? এগুলো শুধুই কি গল্পকথা! কিন্তôু এ ধারণা কি একেবারেই অস্বাভাবিক যে, বিজ্ঞান-প্রযুক্তি আর প্রকৌশলে মানুষের চেয়ে যোজন যোজন এগিয়ে থাকা সভ্যতার কোনো বার্তা আমাদের কাছে পৌছে গেছে কাছের অথবা দূরের কোনো নাড়্গত্রিক বহির্জাগতিক প্রাণের দ্বারা? গ্রহান্তôরের বিভিন্ন জগতের অস্তিôত্বের ধারণা ড্রেক সমীকরণ তো বলেই ফেলেছে! আর এই ধারণার ওপর ভর করেই এ কালের মানুষ বিশ্বাস করতে শুরম্ন করেছে ৈমহাবিশ্বে রয়েছে বুদ্ধিমান প্রাণীর অস্তিôত্ব, তারা মাঝে মধ্যেই পৃথিবীতে আসে, নানান ছদ্মবেশে ৈকখনো উড়ন্তô চাকতি রূপে, কখনো ক্রপ সার্কেলে আবার কখনো বা হঠাত আলোর ঝলকানি হয়ে! ভিন্ন গ্রহের অতিথিদের নিয়ে সাজানো হয়েছে এবারের প্রচ্ছদ রচনা। সঙ্গে থাকছে ২০০৬ সালের বিজ্ঞানবিশ্বে সর্বোচ্চ অবদানের স্বীকৃতি নোবেল পুরস্কার নিয়ে বিশেষ একটি ফিচার। আর নিয়মিত বিভাগগুলো তো থাকছেই। রঙিন কলেবরে বের হয়েছে সায়েন্স ওয়ার্ল্ডের নভেম্বর সংখ্যা।
যোগাযোগ ঃ ২৯৯, পিয়ারসন্স টাওয়ার (৬ষ্ঠ তলা), এলিফ্যান্ট রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা। ফোন ঃ ৮৬৫০৩৭৩।